(কোন্ ব্যবসাটি করবেন সে সিদ্ধান্ত নিতে গুরুত্ব ও মনোযোগের সহিত নিম্নে উল্লেখিত কন্টেন্টটি পড়তে থাকুন অথবা নির্দিষ্ট ব্যবসা সম্পর্কে জানতে ঐ ব্যবসায়ের নামের উপর ক্লিক করুন।) 

[ez-toc]

১. কাপড়ের ব্যবসা

কাপড়ের ব্যবসা হল ভদ্র ও দামী ব্যবসা। বুদ্ধি জ্ঞান সম্পন্ন যে কেউ এ ব্যবসা করতে পারে। এ ব্যবসা ঠিকমত করতে পারলে ১০০% আপনি সফলতা অর্জন করতে পারবেন। এই ব্যবসা শুরু করার জন্য মোটামুটি ৮ থেকে ১২ লাখ টাকার পুঁজি হাতে রাখা ভালো। বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি লাভবান হওয়া যায় এবং দ্রুত সফল হওয়া যায় শাড়ি বা পোশাক এর ব্যবসা করে । কেননা এগুলোর চাহিদা বেশি বাংলাদেশে। পাশাপাশি থান কাপড়ের ব্যবসা করতে পারেন। এটা আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। বর্তমানে তাঁতের কাপড় ভালো চলে। কেননা এগুলো মানের দিক দিয়ে ভাল হয়ে থাকে। আর পণ্য কেনার ক্ষেত্রে ঐ সমস্ত মার্কেট থেকে কিনবেন যে সমস্ত মার্কেটে কম দামে কাপড় পাওয়া যায়। যেমন ইসলামপুর, গাউছিয়া, গুলিস্থান ইত্যাদি এরকম নানা জায়গা থেকে পাইকারি দামে কাপড় ক্রয় করতে পারেন। এ সব কাপড় আপনার এলাকায় বিক্রি করবেন। ইচ্ছে করলে আপনি পাইকারিও কাপড় বিক্রি করতে পারেন। এটা আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার।

[দেখুন এ কন্টেন্ট এর মধ্যে আপনাকে শুধু একটি কমন আইডিয়া দেয়া হয়েছে। আপনি যদি সত্যিই ব্যবসা করতে চান, তবে এ কন্টেন্টটি মনোযোগের সহিত পড়ে, কোন ব্যবসাটি করবেন সে সিদ্ধান্ত নেয়ার পর ঐ নির্দিষ্ট ব্যবসা সম্পর্কে আপনাকে পরিপূর্ণ জ্ঞান অর্জন করতে হবে। কোন একটি ব্যবসা সম্পর্কে বিস্তারিত না জেনে কিছুতেই সে ব্যবসা আরম্ভ করতে যাবেন না।] 

২. ব্যবহৃত মোবাইলের ব্যবসা

আপনার আশপাশের লোকেরা বিভিন্ন কারণে তাদের শখের মোবাইলকে বিক্রি করে দেয়। তখন আপনি এই সুযোগটা কাজে লাগাবেন। তাদের মোবাইল ক্রয় করবেন । ক্রয় করার পর তা bikroy.com এর মধ্যে অ্যাড দিতে পারেন । সেখানে মোবাইল বিক্রি করার জন্য প্রচুর গ্রাহক পেয়ে যাবেন। অথবা কোন ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দিয়ে ভালো পরিমাণ টাকা মুনাফা অর্জন করতে পারবেন। সুতরাং এইভাবে আপনি পুরাতন মোবাইলের ব্যবসা করতে পারেন।

(বি: দ্র: এ পোস্টটি যদি আপনার উপকারে আসে,
 তবে বিনিময় বা কৃতজ্ঞতা স্বরুপ হলেও অনুরোধ করবো যে,
প্লিজ, নিম্নের ২টি লিংকে ক্লিক করুন-
১. 

 

২. 

 

এবং আমার উক্ত ২টি ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
এতে আপনার তেমন কোন ব্যয় বা কোন ক্ষতি হবে না।
বরং উপকারীর উপকার স্বীকার করা ইহা আপনার কর্তব্য। ধন্যবাদ।)

৩.  নতুন মোবাইল ফোন বিক্রির ব্যবসা

বর্তমানে মোবাইল ফোন এর চাহিদা অনেক বেশি। কেননা অধিকাংশ লোকই মোবাইল ফোন ব্যবহার করে। অতএব আপনি একটি মোবাইল ফোনের দোকান দিতে পারেন। সেখানে আপনি নিত্য নতুন ফোন গুলো বিক্রি করতে পারেন। ইচ্ছা করলে আপনি অনলাইনে মোবাইল ফোন বিক্রি করতে পারেন। এই ব্যবসায় অনেক লাভ রয়েছে।

৪. কসমেটিক্স পণ্যের ব্যবসা

প্রত্যেকটা মহিলার কসমেটিক্স এর চাহিদা রয়েছে। বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা হল কসমেটিক্স পণ্য বিক্রি করা। অতএব  যে সমস্ত পণ্যের প্রতি মহিলাদের চাহিদা বেশি ঐ সমস্ত পণ্য নিয়ে একটি দোকান দিয়ে  করতে পারেন এ ব্যবসা অথবা  বিক্রি করতে পারেন অনলাইনে।

৫. আচারের ব্যবসা

আচারের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। কেননা এটা অধিকাংশ লোকই পছন্দ করে। আপনি ভালো মানের আচার তৈরি করে তা বিক্রি করতে পারেন। আপনি বিভিন্ন মৌসুম অনুযায়ী আচার তৈরি করে তা বিক্রি করতে পারেন। এটা অনেক সহজ। অর্থাৎ আমের মৌসুমে আমের আচার, বরইয়ের সিজনে বরইয়ের আচার ইত্যাদি এরকম আচার তৈরি করতে পারেন। বিশেষ করে এই ব্যবসায় অল্প পুজিতে অনেক লাভ করতে পারবেন।

৬. মোবাইল ঠিক করার ব্যবসা

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা হলো মোবাইল ঠিক করার ব্যবসা। কেননা মোবাইল সকলের হাতে হাতে আছে। কিছু না কিছু সমস্যা দেখা দিবেই।ফলে মোবাইল ঠিক করতে হয়। সে হিসেবে এ কাজে অনেক চাহিদা রয়েছে। যদি আপনি মোবাইল ঠিক করতে না পারেন।তাহলে একটি ট্রেনিং দিয়ে শিখে নেবেন মাত্র দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে। তারপর এ ব্যবসায় নেমে পড়তে পারেন।

৭. টি-শার্ট প্রিন্ট করার ব্যবসা

অধিকাংশ মানুষই টিশার্ট ব্যবহার করে। বিশেষ করে ডিজাইন বিশিষ্ট টিশার্ট পছন্দ করে। তাই আপনি খালি টি শার্ট কিনে সেখানে বিভিন্ন ডিজাইনের নতুন আঙ্গিকে পিন্ট করে তা দ্বিগুণ দামে বিক্রি করতে পারবেন। যদি আপনি এই ব্যবসাটি ভালোভাবে করতে পারেন তাহলে আপনি সফলতা অর্জন করবেনই। কেউ আপনাকে ঠেকাতে  পারবে না‌।

৮. কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ঠিক করার ব্যবসা

এ ব্যবসায় অনেক লাভ রয়েছে মোবাইল ঠিক করার ব্যবসার মত। কেননা বর্তমানে অধিকাংশ লোকের কম্পিউটার বা ল্যাপটপ রয়েছে এবং এগুলো ঠিক করার প্রয়োজন পড়ে। তাই এ ব্যবসায় অনেক চাহিদা রয়েছে। আপনি কম্পিউটার ঠিক করার বিজনেস শুরু করতে পারেন। যদি কাজ না পারেন তাহলে অবশ্যই তিন থেকে চার মাস ভালো করে ট্রেনিং দিয়ে কাজ শিখে নেবেন। তারপরে ব্যবসা শুরু করবেন। তাহলে সফলতা আপনার কাছে ধরা দিবে।

৯. বিকাশ এজেন্ট এবং মোবাইল রিচার্জের ব্যবসা

এই ব্যবসাটি খুব সহজেই শুরু করতে পারেন। এ ব্যবসায় অনেক লাভ বেশি। এ ব্যবসা করতে গেলে খুব বেশী পুঁজি বেশি লাগে না। বাংলাদেশে এমন এমন ব্যক্তি রয়েছে যারা বিকাশ এজেন্ট এবং মোবাইল রিচার্জের ব্যবসা করে স্বাচ্ছন্দে জীবন যাপন করছে, অথচ যারা একসময় খুবই অভাব এর মধ্যে ছিল। অতএব বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা হিসেবে এই ব্যবসাটি বেছে নিতে পারেন । যদি আপনি মনোযোগ সহকারে করতে পারেন এবং ভালভাবে অর্থাৎ পরিপূর্ণভাবে সময় দিতে পারেন। তাহলে খুব অল্প সময়ে সফলতা লাভ করতে পারবেন।

১০. ফার্মেসির বিজনেস

এই ব্যবসাটি অনেক দারুন এবং লাভজনক। প্রতিটা মানুষই কোন না কোন সময় অসুস্থ হয়ে পড়ে। অসুস্থ হলে ওষুধ অবশ্যই প্রয়োজন পড়ে। অতএব এর চাহিদা প্রচুর রয়েছে। তাই আপনি এই ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন খুব সহজে। যদি আপনি ঠিকমতো পরিশ্রম করেন এবং পরিপূর্ণ সময় দেন তাহলে খুব অল্প দিনেই আপনার ব্যবসায় সফলতা আসবে। আর ফার্মেসিতে যদি আপনি একজন ভাল ডাক্তার বসান সাপ্তাহে একদিন অথবা দুই দিন । তাহলে আপনার ওষুধ বিক্রি দ্বিগুণ বেড়ে যাবে। তবে শহরের দিকে এ ব্যবসা করতে হলে ফার্মাসিস্ট এর উপর আপনার সার্টিপিকেট থাকার প্রয়োজন হতে পারে। তাই আশে পাশে খোঁজ নিয়ে তারপর এ ব্যবসাটি আরম্ভ করবেন। বন্ধুরা আপনারা পড়ছেন  লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া। যদি প্রবন্ধটি ভালো লাগে তবে তা শেয়ারের অনুরোধ রইলো।

আপনারা পড়ছেন লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া। এ জাতীয় আরো পোস্ট যদি পেতে চান তবে এ পোস্টটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি।

১১. চাউলের ব্যবসা

এটা অনেক লাভজনক ব্যবসা এবং চাহিদা পূর্ণ একটি পণ্য। কেননা আমাদের দেশে প্রত্যেকটা মানুষই ভাত পছন্দ করে। আর ভাত তৈরি করার জন্য অবশ্যই চাউল এর প্রয়োজন হয়।  এ ব্যবসা আপনি মোটামুটি 8 থেকে 10 লাখ টাকা দিয়ে শুরু করতে পারেন। চাউল যেহেতু বিভিন্ন আইটেমের হয়। তাই এই ব্যবসায় সফল হওয়ার জন্য অবশ্যই আপনাকে চাউল এর ব্যাপারে এবং তার মার্কেট সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারণা নিতে হবে এবং চাউল কোন জায়গা থেকে ক্রয় করবেন তা নির্ধারণ করতে হবে। অর্থাৎ আপনি চাইলে চাউলের মিল থেকে ক্রয় করতে পারেন অথবা ব্যক্তিমালিকানার চাউল থেকে ক্রয় করতে পারেন। আর চাউলের ব্যবসা আপনি দুই ভাবে করতে পারেন।

  • পাইকারিভাবে চাউলের ব্যবসা এবং
  • খুচরা চাউলের ব্যবসা। উভয় দিক দিয়েই লাভ রয়েছে।

 ১২. টাইলস এর ব্যবসা

 এই ব্যবসাটি বর্তমানে অনেক লাভজনক। এই ব্যবসার অনেক চাহিদা রয়েছে। কেননা যেখানেই বিল্ডিং, ঘর তৈরি করা হয় সেখানেই টাইলস ব্যবহার করা হয়। বুঝা গেল এই ব্যবসায় অনেক চাহিদা রয়েছে। টাইলস এর ব্যবসা করে হাজার হাজার লোক সফলতার উচ্চ শিখরে পৌঁছে গিয়েছে। আর এই ব্যবসাটি করতে বেশি পুঁজিও লাগে না। অতএব লাভজনক  হিসেবে আপনি টাইলস এর ব্যবসা করতে পারেন।

১৩। টিউটর ব্যবসা

যাহারা শিক্ষিত বেকার আমি তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, আপনি যে বিষয়ে পারদর্শী যেমনঃ ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান, আইসিটি ইত্যাদি। আপনার এই বিষয়টি পড়ানোর জন্য একটি বিজ্ঞাপন দিতে পারেন। বিজ্ঞাপন দেখে ছাত্র-ছাত্রীরা আপনার বিষয়টি পড়ার জন্য আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। আপনি নিজ বাড়িতেই একটি রুমে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বসার ব্যবস্থা করবেন। হোয়াইট বোর্ড, মার্কার পেন, কিছু উপকরণ বাবদ আপনার সামান্য বিনিয়োগ হবে। শুধুমাত্র আপনার মেধাকে কাজে লাগিয়ে  সকালে ও বিকালে ছাত্রছাত্রীদের পড়াতে পারেন। ছাত্র-ছাত্রীদের পড়িয়ে প্রাইভেট টিউটর হিসেবেই আপনি মাসে ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় করতে পারেন।

১৪। কোচিং ব্যবসা

আমাদের দেশে কোচিং ব্যবসা অত্যন্ত লাভজনক। প্রাইভেট টিউটর অত্যন্ত ব্যয়বহুল হওয়ায়, মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকেরা ছাত্রছাত্রীদের পড়াতে হিমশিম খেতে হয়। তাই একটি মানসম্মত কোচিং সেন্টারে সাশ্রয়ী খরচে তারা পড়তে চায়। কোচিং ব্যবসায় সফলতার হার অনেক বেশি। কোচিং সেন্টার পরিচালনা করে মাসে ২৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা আয় করা যায়।

১৫। কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকার বদ্ধপরিকর। সেই সাথে বাংলাদেশের শিক্ষিত যুব সমাজের কম্পিউটার শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশাল জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্য বিমোচনে শিক্ষিত যুব সমাজকে কম্পিউটার শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারলে, কম্পিউটারকে কেন্দ্র করে ভালো একটি পদ সৃষ্টি করতে পারবে। কম্পিউটার শিক্ষা গ্রহণে ছাত্র-ছাত্রী ও যুব সমাজের আগ্রহ রয়েছে। তাই আপনি কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার এর মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা উপার্জন করতে পারেন। এ জন্য আপনাকে প্রথমে একটি ঘর নিতে হবে। কম্পিউটার সহ অন্যান্য সরঞ্জামাদি সংগ্রহ করতে হবে ও বিজ্ঞাপন প্রচার করতে হবে। তাহলে, দেখবেন আপনার কাছে কম্পিউটার শেখার জন্য অনেক ছাত্র-ছাত্রী যোগাযোগ করতে শুরু করেছে। আপনি খুব সহজেই কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদন নিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের ৩ মাস ও ৬ মাস মেয়াদি সার্টিফিকেট প্রদান করতে পারবেন।

আপনার ট্রেনিং এর বিষয় রাখবেন-

  • এমএস ওয়ার্ড
  • এমএস এক্সেল
  • এমএস ফক্সপ্রো
  • গ্রাফিক্স ডিজাইন
  • ওয়েব ডিজাইন ইত্যাদি
  • ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং
  • ভিডিও এডিটিং
  • ডিজিটাল মার্কেটিং ইত্যাদি।

১৬। অনলাইন নিউজপেপার

আপনার স্মার্ট ব্যবসায়িক ধারণা গুলোর মধ্যে অনলাইন সংবাদপত্র একটি অন্যতম ব্যবসা। আপনার অনলাইন নিউজে ভাইরাল খবর গুলো কভার করতে পারেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় লিংক শেয়ার করে আপনার ওয়েবসাইট ডেভলপ করতে পারেন। আপনি নিম্ন প্রতিযোগিতামূলক কিওয়ার্ড টার্গেট করুন এবং দেখবেন ব্যাপক ট্রাফিক পাবেন। আপনার উপার্জনের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে। আপনার অনলাইন সংবাদপত্র কে বিভিন্নভাবে মনিটাইজ করতে পারেন ।

·        ১৭। কসমেটিকস দোকান

·        অন্যান্য ব্যবসার তুলনায় কসমেটিকস ব্যবসা অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে । সাধারনত এই ব্যবসার গ্রাহক মহিলারাই বেশি। এ ব্যবসায় পণ্য বিক্রির 30 থেকে 35 শতাংশ মুনাফা হয়। আপনার নিকটস্থ বাজারে একটি ঘর ভাড়া নিয়ে অল্প পুঁজি খাটিয়ে এই ব্যবসাটি পরিচালনা করতে পারেন। কসমেটিকস আইটেম ব্যবহারে মেয়েদের আগ্রহ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই আপনি এই ব্যবসাটি পরিচালনা করে মাসে 30 থেকে 35 হাজার টাকা নির্দ্বিধায় আয় করতে পারবেন।

·        ১৮। ফ্যাশন হাউজ

  • বস্ত্র মানুষের মৌলিক চাহিদার একটি অন্যতম উপাদান। পোশাকের ব্যবহার আদি যুগে শুরু হয়ে এখন পর্যন্ত আছে। যতদিন মানুষের বসবাস পৃথিবীতে থাকবে ততদিন পর্যন্ত পোশাকের ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাবে। মানুষের চাই সুন্দর মনোরম পোশাক পরে বাহিরে বের হতে। তাই পোশাকের চাহিদা কখনোই শেষ হবেনা। ফ্যাশন হাউজ বা গার্মেন্টস আইটেম ব্যবসাটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্যবসা। অত্যন্ত সম্মানের সাথে এই ব্যবসাটি করে মোটা অংকের টাকা আয় করতে পারেন। ফ্যাশন হাউসে পোশাকের আইটেম বিক্রি করে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ মুনাফা হয়। আপনার নিকটবর্তী বাজারে একটি ঘর নিয়ে ৩ থেকে ৪ লক্ষ টাকা ইনভেস্ট করে প্রতিমাসে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। এই ব্যবসায় সবচেয়ে বেশি লাভবান হবেন- ঈদ, পূজা ও বিভিন্ন উৎসবে। এছাড়াও শীত কালীন সময়ে শীত নিবারনের পোশাকের প্রতি ক্রেতাদের যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে।

১৯। গিফট কর্নার

বর্তমানে গিফট কর্নার একটি জনপ্রিয় ব্যবসা। সামাজিক অনুষ্ঠানে (যেমনঃ জন্মদিন, সুন্নতে খাতনা, বিয়ে, ইত্যাদি) মানুষ একে অন্যকে উপহার সামগ্রী দিয়ে থাকে। বন্ধুত্ব রক্ষার ক্ষেত্রে একে অপরকে উপহার সামগ্রী প্রদান করে থাকে। মানুষ সামাজিক ভাবে বসবাস করতে হলে উপহার সামগ্রী দেওয়ার প্রচলন থাকবেই। আপনার নিকটবর্তী বাজারে একটি রুম নিয়ে এক/ দেড় লাখ টাকা ইনভেস্ট করে গিফট কর্নার শুরু করতে পারেন । এ ব্যবসায় সফলতার হার বেশি। মোট বিক্রির 25 থেকে 30 শতাংশ মুনাফা হয়।

২০। খেলনার দোকান

খেলনার চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে । ছোট সোনামণিদের আবদার রাখার জন্য বাবা মা খেলনা ক্রয় করে থাকে। যতদিন পৃথিবী থাকবে শিশুদের আগমন ঘটবেই। কাজেই খেলনার চাহিদা কখনোই শেষ হবার নয়। নতুন নতুন খেলনার প্রতি শিশুদের আকর্ষণ অত্যন্ত বেশি । তাই এই ব্যবসাটি দ্রুত শুরু করতে পারেন। আপনার নিকটবর্তী বাজারে একটি রুমে বিভিন্ন ধরনের খেলনা সামগ্রী নিয়ে দোকান দিতে পারেন। মোট বিক্রির 25 থেকে 30 শতাংশ মুনাফা হয় । ২/৩ লাখ টাকা ইনভেস্ট করে এই ব্যবসা থেকে প্রতিমাসে ২০/৩০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব।

২১। ইলেকট্রনিক্স ব্যবসা

গ্রামে- শহরে সকল অঞ্চলেই ইলেকট্রনিক্স পণ্যের প্রতি যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। নিত্য পণ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল ইলেকট্রনিক্স পণ্য। গ্রামে- শহরের প্রতিটি বাড়িতেই ইলেকট্রনিক্স পণ্যের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ইলেকট্রনিক্স পণ্য গুলো হল-

  • রাইস কুকার , প্রেসার কুকার, মাইক্রোওভেন,
  • ইলেকট্রিক কেটলি, আয়রন, টিভি, এলইডি টিভি,
  • ফ্রিজ- রেফ্রিজারেটর, গ্যাসের চুলা, ইলেকট্রিক চুলা,
  • ব্লেন্ডার, হটপট সহ  নানা রকমের পণ্য।

আপনার নিকটস্থ বাজারে একটি রুম নিয়ে ইলেকট্রনিক্স ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এ ব্যবসার সফলতার হার বেশি। এ ব্যবসায় ১৫/২০ শতাংশ  লাভ করা যায়।  এ ব্যবসায় আপনাকে ৪/৫ লাখ টাকা ইনভেস্ট করতে হবে। এই ব্যবসা থেকে আপনি 40/ 50 হাজার টাকা মাসে আয় করতে পারবেন।

২২। মুদি দোকান

মানুষের জীবন যাপনের ক্ষেত্রে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর কোন বিকল্প নেই। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী গ্রাহকের কখনোই অভাব হয় না। যেমন- চাল, ডাল, তেল, বিস্কুট, চানাচুর, সাবান, ব্রাশ-টুথপেস্ট সহ শত ধরনের পণ্য রয়েছে যা আমরা প্রতিনিয়ত ব্যবহার করে থাকি। এ সকল পণ্যের গ্রাহক সংখ্যা অত্যন্ত বেশি। তাই আপনি এই ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন আপনার নিকটস্থ বাজারে। এই ব্যবসার সফলতা হার অনেক বেশি। এই ব্যবসাটি অল্প পুঁজি দিয়ে শুরু করা যায়। আর এ ব্যবসা থেকে অধিক মুনাফা অর্জন করা সম্ভব। লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া ১১১টি যদি প্রবন্ধটি পরবর্তীতে আপনার বা মানুষের প্রয়োজন হবে বলে করেন তবে তা আপনার ফেসবুকে শেয়ার করে রেখে দিন, যাতে প্রয়োজনের সময় আপনার ফেসবুক থেকে সহজে পড়তে পারেন।

২৩। মোবাইল ও এর এক্সেসরিজ ব্যবসা

মোবাইল ফোন বাংলাদেশে জনগণের কাছে একটি অতি প্রয়োজনীয় উপাদান। মোবাইল ফোন এখন আর বিলাসিতা নয়, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য হিসেবে আমরা ব্যবহার করে থাকি। মোবাইল ফোন এর পাশাপাশি স্মার্টফোনের ব্যবহারও অত্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ব্যক্তির সাথে ব্যক্তির আন্তঃ যোগাযোগ করা যায়। পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় বসবাস করুক না কেন মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখা সম্ভব। স্মার্টফোনের নানাবিধ ব্যবহার মানুষের কাছে আরও প্রয়োজনীয় উপকরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পৃথিবী যতদিন থাকবে ব্যক্তির সাথে ব্যক্তির যোগাযোগ ততদিন থাকবে এবং মোবাইল ফোনের ব্যবহার আরোও বৃদ্ধি পাবে। তাই আপনার নিকটস্থ বাজারে একটি রুম নিয়ে মোবাইল ফোনের ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এই ব্যবসাটা অত্যন্ত লাভজনক। এছাড়াও মোবাইল ফোন এর পাশাপাশি মোবাইল এক্সেসরিজ যেমনঃ ব্যাটারি, চার্জার, হেডফোন, গরিলা গ্লাস, ব্যাক পার্ট সহ প্রয়োজনীয় উপাদান গুলো রাখতে পারেন । এছাড়াও মোবাইল মেরামতের জন্য আপনার দোকানের একপাশে একজন মোবাইল টেকনিশিয়ান নিয়োগ দিতে পারেন। মোবাইল মেরামত এর মাধ্যমেও প্রচুর টাকা আয় করা যায়।

আপনারা পড়ছেন লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া ১১১টি। যারা কোরআন শরীফ মুখস্থ করতে চান তাদেরকে

এখানে ক্লিক করার

জন্য অনুরোধ করছি।

২৪। মোবাইল ব্যাংকিং ও এজেন্ট ব্যাংকিং

আপনার স্মার্ট ব্যবসায়ের ধারণা গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো মোবাইল ব্যাংকিং ও এজেন্ট ব্যাংকিং। আমাদের দেশে মোবাইল ব্যাংকিং ও এজেন্ট ব্যাংকিং এর জনপ্রিয়তা অত্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যাংকে লেনদেন করতে গেলে দীর্ঘ লাইন, হয়রানি, নানাবিধ অসুবিধা হয় । তাই মানুষ এখন মোবাইল ব্যাংকিং ও এজেন্ট ব্যাংকিং এর ব্যবহার বৃদ্ধি করেছে। মোবাইল ব্যাংকিং ও এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দিবা-রাত্রি 24 ঘন্টা লেনদেন করা যায়। মোবাইল ও এজেন্ট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে দেশের যেকোনো প্রত্যন্ত অঞ্চলে টাকা লেনদেন করা যায়। মোবাইল ও এজেন্ট ব্যাংকিং এর গ্রাহক সংখ্যা অত্যন্ত বেশি। তাই এই ব্যবসাটি আপনি আপনার নিকটস্থ বাজারে একটি রুম নিয়েই শুরু করতে পারেন। যে সকল মোবাইল ব্যাংকিং এর সাথে সম্পৃক্ত হবেন তা হল-

  • বিকাশ
  • রকেট
  • নগদ ইত্যাদি

এছাড়াও এজেন্ট ব্যাংকিং এর জন্য চুক্তিবদ্ধ হতে পারেন, নিচের যে কোন একটি ব্যাংকের সাথে-

  •  ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড,
  • ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড
  • অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড,
  • ব্রাক ব্যাংক লিমিটেড ইত্যাদি

আপনার পছন্দমত যেকোন একটি এজেন্ট ব্যাংকের শাখা উদ্বোধন করে ও মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে সকল সুযোগ-সুবিধা গ্রাহকদের প্রদান করে  পর্যাপ্ত পরিমানে আয় করতে পারবেন।

২৫। মৎস্য চাষ

মাছে-ভাতে বাঙালি। বাঙ্গালীদের যেন মাছ ছাড়া ভাত হজমই হতে চায়না। মৎস্য চাষ বাংলাদেশের কৃষি খাতের একটি অন্যতম উপখাত। জিডিপিতে অবদান ৩.৫৯ শতাংশ। কৃষি খাতের মোটা আয়ের ২২ভাগ আসে মৎস্য থেকে। প্রাণীজ আমিষের ৬০ ভাগ আসে মৎস্য থেকে। আমাদের দেশে মাছের চাহিদা অত্যন্ত বেশি হওয়ায় আপনি নির্দ্বিধায় মাছ চাষের পেশাটা বেছে নিতে পারেন। আপনার বাড়ির পুকুরে, আর পুকুর না থাকলে এলাকায় পুকুর লিজ নিয়ে মাছ চাষ শুরু করেন। মাছ চাষের মাধ্যমে পর্যাপ্ত পরিমাণে মুনাফা অর্জন করা সম্ভব।

যে সকল মাছের জাত নির্বাচন করবেন –

  • পাঙ্গাশ , কই
  • পাবদা, গুলশা
  • রুই, কাতল
  • সর পুঁটি, কার্প  ইত্যাদি।

মাছ চাষে যে সকল বিষয় অত্যন্ত গুরুত্ব দিতে হবে-

  • খোলামেলা পরিবেশ ও পর্যাপ্ত আলো বাতাসের ব্যবস্থা
  • মাঝে মাঝে জাল টেনে মাছের ওজন মাপা
  • মাছের ওজন অনুযায়ী খাদ্য সরবরাহ করা
  • ভালো মানের খাদ্য সরবরাহ করা
  • রোগ নিরাময়ে ওষুধ সরবরাহ করা
  • মৎস্য অফিসে যোগাযোগ রাখা
  • পর্যাপ্ত বড় হলে বিক্রি করা।

২৬। ব্রয়লার ফার্ম

ব্রয়লার চাষ বাংলাদেশে একটি জনপ্রিয় ব্যবসা। ব্রয়লার মুরগির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এটি অত্যন্ত লাভজনক ব্যবসা। আপনার বাড়িতে একটি ঘরে ব্রয়লারের বাচ্চা উঠিয়ে ব্রয়লার পালন করতে পারেন। ব্রয়লার চাষে প্রশিক্ষণ নিতে পারলে ভালো হয়। অল্প পুঁজি দিয়েই এই ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন।

তবে এজন্য আপনাকে যে সকল বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে-

  • সঠিক জায়গা নির্ধারণ
  • উন্নত জাতের ব্রয়লার বাচ্চা
  • ভালো মানের খাবার
  • সার্বক্ষণিক তদারকি
  • পরিষ্কার পরিছন্নতা
  • পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা
  • রোদ, বৃষ্টি ও শীত থেকে রক্ষা করা
  • ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা
  • ওজন অনুযায়ী খাদ্য সরবরাহ করা
  • স্থানীয় পশুসম্পদ অফিসের সাথে যোগাযোগ রাখা
  • পর্যাপ্ত বড় হলে বিক্রির ব্যবস্থা করা।

২৭। সবজি চাষ

আমাদের খাদ্য তালিকায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো সবজি। দেশব্যাপী সবজির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তাই আপনি আত্মবিশ্বাসের সাথে সবজি চাষ শুরু করতে পারেন। আপনার বাড়ির যেসকল জমি পতিত পড়ে আছে এসকল জমিগুলো সবজি চাষের আওতায় নিয়ে আসুন। আপনি স্বল্প পুঁজি দিয়ে সবজি চাষ শুরু করতে পারেন।

সবজি চাষের ক্ষেত্রে আপনার যে সকল বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে-

  • সঠিক জায়গা নির্ধারণ করুন
  • ফসল নির্বাচন করুন
  • পর্যাপ্ত আলো বাতাসের ব্যবস্থা
  • আগাছা পরিষ্কার করা
  • সেচ দেওয়া
  • জৈব ও রাসায়নিক সার প্রয়োগ
  • বালাই নাশক ঔষধ ছিটানো
  • কৃষি অফিসের সাথে যোগাযোগ রাখা
  • ফসল উত্তোলন ও বিক্রি করা।

২৮। ফল চাষ

মানুষের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় ফল এখন গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য। মানুষ শিক্ষা ও সচেতনতার পাশাপাশি ফলকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছে। সারা দেশব্যাপী ফলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তাই আপনি আত্মবিশ্বাসের সাথে ফলের চাষ শুরু করুন।

যে সকল লাভজনক ফল নির্বাচন করবেন-

  • পেঁপে, পেয়ারা
  • মালটা, কলা
  • তরমুজ, আম
  • বারোমাসি লেবু ইত্যাদি।

আপনি যে সকল বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন-

  • সঠিক জায়গা নির্ধারণ করুন
  • উন্নত জাতের ফল নির্বাচন করুন
  • পর্যাপ্ত আলো বাতাসের ব্যবস্থা করা
  • আগাছা পরিষ্কার করা
  • সেচ দেওয়া
  • জৈব ও রাসায়নিক সার প্রয়োগ
  • বালাই নাশক ঔষধ ছিটানো
  • কৃষি অফিসের সাথে যোগাযোগ রাখা
  • ফসল উত্তোলন ও বিক্রি করা।

২৯। পশুপালন

পশুপালন আমাদের দেশে একটি জনপ্রিয় পেশা। আমাদের দেশে গ্রামে বসবাস করে ৬৫/৭০শতাংশ মানুষ। যাদের অধিকাংশই পশুপালন এর সাথে জড়িত। সারাদেশের চাহিদা পূরণ করে বিদেশেও পশু রপ্তানি হয়ে থাকে। পশুপাখির মাধ্যমে আমরা অধিকাংশ আমিষ জাতীয় খাবার পেয়ে থাকি,যথাঃ-  ডিম, দুধ, মাংস ইত্যাদি। পশুর চামড়া দেশে ও বিদেশে যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। পশুপালন ব্যবসাটি অত্যন্ত লাভজনক হওয়ায়, আপনি নির্দ্বিধায় শুরু করতে পারেন এবং অনেক লাভবান হতে পারেন।

যে সকল পশু নির্বাচন করবেন-

  • উন্নত জাতের ছাগল,
  • উন্নত জাতের ভেড়া,
  • উন্নত জাতের গরু,
  • মহিষ ইত্যাদি।

পশুপালনে যেসকল বিষয়গুলো খেয়াল করবেন-

  •  সঠিক জায়গা নির্ধারণ করুন
  • পর্যাপ্ত আলো বাতাসের ব্যবস্থা করা
  • সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধান করা
  • পর্যাপ্ত খাদ্যের ব্যবস্থা করা
  • ভ্যাকসিন প্রদান
  • পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা
  • অসুস্থ হলে চিকিৎসা করা
  • উপজেলা পশু সম্পদঅফিসের সাথে যোগাযোগ রাখা
  • পর্যাপ্ত বড় হলে বিক্রি করা।
(বি: দ্র: এ পোস্টটি যদি আপনার উপকারে আসে,
 তবে বিনিময় বা কৃতজ্ঞতা স্বরুপ হলেও অনুরোধ করবো যে,
প্লিজ, নিম্নের ২টি লিংকে ক্লিক করুন-
১. 

 

২. 

 

এবং আমার উক্ত ২টি ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন।
এতে আপনার তেমন কোন ব্যয় বা কোন ক্ষতি হবে না।
বরং উপকারীর উপকার স্বীকার করা ইহা আপনার কর্তব্য। ধন্যবাদ।)

৩০) ছোট কফি শপ

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অফিসিয়াল মিটিং বা অবসর সময়ে গরম পানীয় হিসেবে কফির চাহিদা অনেক বেড়েছে। তরুণরাও তাদের আড্ডা হিসেবে কফির দোকান পছন্দ করে। এই প্রবণতা বিবেচনা করে, আপনি একটি কফি শপ ব্যবসার ধারণা চিন্তা করতে পারেন। আপনার কফি শপের জন্য একটি ভাল অবস্থান খুঁজুন যেমন অফিস বা পার্কের কাছাকাছি, শপিং মলগুলিতে বা কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় ইত্যাদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কাছাকাছি। তারপর একটি ভাল অবস্থানে দোকানের জন্য একটি ছোট জায়গা ভাড়া নিতে পারেন এবং শুরু করতে পারেন এ ব্যবসা।

আনুমানিক প্রাথমিক ইনভেস্টমেন্টঃ

  • ২৫০০০-৩০০০০ টাকা

আনুমানিক লাভঃ

  • প্রায় প্রতি মাসে ২০০০০-৩০০০০ টাকা

৩১) ব্যবহৃত পণ্য কেনা এবং বেচাঃ

এটি আপনার জন্য আরেকটি ব্যবসার সুযোগ। আপনি সেকেন্ড হ্যান্ড পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য একটি দোকান খুলতে পারেন। এটি একটি অত্যন্ত লাভজনক ব্যবসা। অফলাইন দোকানের সাথে, আপনি bikroy.com এর মতো একটি ওয়েবসাইটও খুলতে পারেন। আপনি যদি বিশ্বাস গড়ে তুলতে পারেন, তাহলে আপনি আপনার ব্যবসা সহজেই বৃদ্ধি করতে পারেন। তাছাড়া আপনি চাইলে শুধু অনলাইন পেজ খুলে অনলাইন ব্যবসাও করতে পারেন। আপনি একটি সেকেন্ড হ্যান্ড ল্যাপটপ, কম্পিউটার, মোবাইল, টেলিভিশন, আনুষাঙ্গিক বা যেকোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস কিনতে পারেন এবং তা মুনাফার সাথে মানুষের কাছে বিক্রি করতে পারেন।

 আনুমানিক লাভ মাসিক ৫০০০০ টাকা

৩২) ট্যুরিজম ব্যবসা

আমাদের দেশে পর্যটন একটি ভাল ব্যবসায়িক ধারণা। দেশের বিভিন্ন জায়গায় অনেক পর্যটক আসে। তাদের বেশিরভাগেরই ভ্রমণের পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই, তাই তাদের একটি ট্রাভেল এজেন্সির সাহায্য নিতে হয়। আপনি সেই পর্যটকদের কাস্টমাইজড বা পরিচালিত ট্যুর প্যাকেজ অফার করতে পারেন যার মধ্যে হোটেল বুকিং, ট্রেন বা এয়ার টিকেট, জায়গা নির্ধারণ  ইত্যাদি রয়েছে। এই ব্যবসা আপনি কম বিনিয়োগ দিয়ে শুরু করতে পারবেন।

  • প্রাথমিক ইনভেস্টমেন্টঃ ৩৫০০০ BDT
  • আনুমানিক লাভঃমাসিক ২০০০০-৩০০০০ টাকা

৩৩) ফুচকা এবং চটপটির ব্যবসা

ফুচকা এবং চকপটি উপমহাদেশের ট্রেন্ডি স্ট্রিট ফুড। শহুরে এবং গ্রামের মানুষ ফ্রেশ এবং স্বাস্থ্যকর ফুচকা এবং চটপটি পছন্দ করে। কিন্তু যারা এই ব্যবসা করছেন তারা এর মান সম্পর্কে অজ্ঞ। ফুচকা এবং চটপটির অধিকাংশই অস্বাস্থ্যকর। স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ এই ধরনের অস্বাস্থ্যকর খাবার পরিত্যাগ করে। এখানেই আপনার ব্যবসার সুযোগ রয়েছে। এখানে খুব কম বিনিয়োগ প্রয়োজন। আপনাকে কেবল সবকিছু প্রক্রিয়া করতে এবং এটিকে সুস্বাদু করতে জানতে হবে। যদি আপনি পরিষ্কার এবং ফ্রেশ উপাদান প্রক্রিয়াকরণের সাথে সুস্বাদু ফুচকা এবং চকপোটি সরবরাহ করতে পারেন। তবে এটি একটি দুর্দান্ত ব্যবসায়ের সুযোগ করে দেয়।

৩৪) হোম মেইড ফুড

বাংলাদেশের বাজারে ঘরে তৈরি খাবারের যুক্তিসঙ্গত চাহিদা রয়েছে কারণ ঘরে তৈরি খাবার টাটকা এবং ভালো স্বাদের। স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ ঘরে তৈরি খাবার খেতে চায়। তারা রেডিমেড দোকানের খাবারে আগ্রহী নয় কারণ এটি বেশিরভাগ সময় ভেজাল এবং অস্বাস্থ্যকর হয়। আপনি যদি কোন নির্দিষ্ট রেসিপি ভালোভাবে রান্না করতে পারেন, তা হতে পারে যে কোনো ধরনের পিঠা, চাটনি , কেক বা খাবার। যদি আপনি এটিকে সঠিক উপায়ে প্রচার করতে পারেন এবং মানুষকে আকৃষ্ট করতে পারেন তাহলে এই ব্যবসা করে আপনি ভালো আয় করতে পারবেন। গৃহ-নির্মাতা মা এই স্মার্ট ব্যবসা করে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করতে পারেন। গ্রাহকদের সন্তুষ্ট করবেন এবং বিনিময়ে মুনাফা অর্জন করবেন।

৩৫) ডেলিভারি কোম্পানি

অনলাইন ব্যবসার উত্থানের সাথে, বিশেষ করে এফ-কমার্স, পণ্য সরবরাহ করা ছোট ব্যবসার মালিকের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য উদ্বেগের বিষয়। ঢাকা শহরে অনেক ডেলিভারি কোম্পানি আছে, কিন্তু তার চাহিদার তুলনায় সংখ্যা কম। সুতরাং, এটি একটি চমৎকার ব্যবসার সুযোগ। আপনি যদি ডেলিভারি ব্যবসায় টিকে থাকতে চান, তাহলে আপনাকে অবশ্যই প্রতিযোগীদের দুর্বল দিকগুলো তুলে ধরতে হবে এবং নিশ্চিত করতে হবে যে আপনার কোম্পানি সেই ভুলগুলো করবে না।

  • পণ্যটি সময়মতো সরবরাহ করতে হবে।
  • ডেলিভারি চার্জ যুক্তিসঙ্গত হতে হবে
  • অবশ্যই ব্যবসার মালিককে সঠিক সময়ে অর্থ প্রদান করতে হবে
  • অবশ্যই ভালো ব্যবস্থাপনা থাকতে হবে

আপনি যদি বিশ্বাসের সাথে উপরের বিষয়গুলি নিশ্চিত করতে পারেন, তাহলে আপনি গ্রাহকদের অভাব অনুভব করবেন না। কারণ সোশ্যাল মিডিয়ায় রয়েছে অনেক ছোট ছোট ব্যবসা এবং প্রতিটি ব্যবসার মালিককে তার পণ্য সরবরাহ করতে হয়।

৩৬) শিক্ষার্থীদের জন্য স্টেশনারি শপ

আরেকটি ছোট লাভজনক ব্যবসায়িক ধারণা হল ছাত্রদের জন্য স্টেশনারি দোকান। বর্তমানে, এটি কিছুটা সংকটজনক পরিস্থিতিতে আছে কিন্তু এটি অবশ্যই ব্যবসার জন্য লাভজনক। আপনি যদি খুব কম ইনভেস্ট করে আপনার ব্যবসা শুরু করতে চান, তাহলে আপনাকে অবশ্যই এই ব্যবসার ধারণাটি নিয়ে ভাবতে পারেন। আপনি এটি স্থানীয়ভাবেও শুরু করতে পারেন এবং স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এলাকা বেছে নিতে পারেন।


৩৭) টিউশন মিডিয়া এজেন্সি

প্রত্যেক শিক্ষার্থীর একটি প্রাইভেট টিউটর প্রয়োজন।কিন্তু ভালো প্রাইভেট গৃহশিক্ষক খুঁজে পাওয়া অনেক কঠিন। এমনকি অনেক অভিভাবকও জানেন না কিভাবে একজন চমৎকার প্রাইভেট টিউটর নিয়োগ করতে হয়। যেহেতু একজন প্রাইভেট টিউটর নিয়োগ করা ছাত্র এবং অভিভাবকের জন্য একটি সমস্যা, আপনি যদি এই সমস্যার সমাধান করতে পারেন, তাহলে এটি একটি ভালো ব্যবসায় পরিণত হতে পারে। আপনি আগ্রহী টিউটরদের কাছ থেকে ব্যাকগ্রাউন্ড ইনফরমেশন অর্থাৎ বায়ো-ডেটা সংগ্রহ করতে পারেন। যখন কোন অভিভাবক আপনাকে একজন গৃহশিক্ষকের জন্য নক করবে, তখন আপনি আপনার ডাটাবেস চেক করতে পারেন এবং অভিভাবকের প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে যোগ্য শিক্ষককে কল করতে পারেন।

কিন্তু আপনি কিভাবে লাভ করবেন?

  • প্রথমত, আপনি আপনার সেবা পেতে টিউটর এবং অভিভাবকদের কাছ থেকে সাবস্ক্রিপশন ফি সংগ্রহ করতে পারেন।
  • দ্বিতীয়ত, আপনি টিউশন বেতনের থেকে কমিশন নিতে পারেন। এটি টিউশন নিশ্চিত করার পরে বা শুধু প্রথম মাসের বেতন পাওয়ার পরে বেতনের 20% বা 30% হতে পারে।


৩৮) ফটোগ্রাফি

ফটোগ্রাফি এই একবিংশ শতাব্দীতে ভাল ব্যবসা হতে পারে। বিবাহ বা প্রায় প্রতিটি ইভেন্ট ভাল ছবির প্রয়োজন। তার জন্য প্রয়োজন ভালো ফটোগ্রাফার। আপনি একটি ফ্রি ফেসবুক পেজ চালিয়ে আপনার ব্যবসা খুলতে পারেন। আপনার তোলা ছবি আপলোড করুন যাতে লোকেরা আপনার কাজ পছন্দ করে।

  • প্রাথমিক ইনভেস্টমেন্টঃ একটি ভালো ক্যামেরা প্রয়োজন। তা কিনতে ৫০০০০ টাকা এর মত লাগবে।
  • আনুমানিক লাভঃ মাসিক ৫০০০০-৭৫০০০ টাকা

৩৯) ফুলের দোকান

একটি ফুল ভালোবাসার প্রতীক এবং সবার কাছে উপভোগ্য। এটি সবচেয়ে লাভজনক এবং কম বিনিয়োগের ব্যবসা। যেকোনো উপলক্ষ্যে, বিশেষ দিন, বিয়ের অনুষ্ঠান এবং পার্টি ইত্যাদিতে ফুলের চাহিদা থাকে, তাই আপনি ফুল বিক্রি করে বছরে একটি ভালো অর্থ উপার্জন করতে পারেন। ফুলের দোকানের জন্য আপনাকে অবশ্যই সঠিক স্থান নির্বাচন করতে হবে। প্লাস্টিকের ফুলও রাখতে পারেন। বাড়ির সাজসজ্জার জন্য এর খুব বেশি চাহিদা রয়েছে।

  • আনুমানিক প্রাথমিক ইনভেস্টমেন্টঃ ২০০০০-৩০০০০ টাকা
  • আনুমানিক লাভঃ মাসিক ৪০০০০-৬০০০০ টাকা

৪০) ইভেন্ট ম্যানেজার

আপনি যদি ইভেন্ট প্ল্যানার হতে চান তাহলে ছোট থেকে বড় সব ইভেন্ট সাজাতে হবে। এই ব্যবসার চাহিদা অফুরন্ত। অনেক ছোট থেকে বড় ইভেন্ট রয়েছে যেমনঃ জন্মদিনের পার্টি, রাজনৈতিক অনুষ্ঠান, বিবাহের অনুষ্ঠান, সরকারী অনুষ্ঠান, বার্ষিকী ইত্যাদি যা আপনি সাজাতে পারেন।

  • আনুমানিক প্রাথমিক ইনভেস্টমেন্টঃ ৫০০০০ টাকা এর মত
  • আনুমানিক লাভঃ মাসিক ৫০০০০-৮০০০০ টাকা

৪১) ফাস্ট ফুড শপ ব্যবসা

এটি বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের কাছে সবচেয়ে প্রিয় ব্যবসায়িক ধারণা। সবাই খেতে ভালোবাসে এবং খাবারে ভিন্ন স্বাদ খেতে চায়। কিন্তু আপনাকে অবশ্যই প্রচুর পরিমাণে ইনভেস্ট করতে হবে। আপনি যদি ভালো স্বাদ এবং সেবা দেন, তাহলে আপনি সহজেই এই ব্যবসায়িক আইডিয়াতে সফল হতে পারবেন। বাংলাদেশের তরুণ উদ্যোক্তাদের অধিকাংশই এই লাভজনক ব্যবসায় আগ্রহী। আমি মনে করি এই ব্যবসায় সর্বনিম্ন বিনিয়োগ প্রায় ৫ লক্ষ টাকা।

আপনারা পড়ছেন লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া ১১১টি। কন্টেন্টটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ রইলো।

৪২) ফ্রিলান্সিং ট্রেইনিং কোচিং

বাংলাদেশে বেকারত্বের হার বেশি হওয়ায় ফ্রিল্যান্সিং এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। বৈশ্বিক ফ্রিল্যান্সিং বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান ৫ম।  আপনি আপনার ফ্রিল্যান্সিং এজেন্সি দ্বারা তরুণদের এবং বেকারদের সাহায্য করার জন্য এই সুযোগটি গ্রহণ করতে পারেন এবং বিপুল মুনাফা অর্জন করতে পারেন। আপনি মানুষকে ফ্রিল্যান্সিং দক্ষতা শেখাতে পারেন। এটি বাংলাদেশের একটি বিশাল বাজার। শত শত ফ্রিল্যান্সিং এজেন্সি এটি নিয়ে কাজ করছে এবং এখন এটি একটি লাভজনক ব্যবসা। বেশিরভাগ ফ্রিল্যান্সিং ইনস্টিটিউটের মানের অভাব রয়েছে এবং তাদের প্রধান দুর্বল বিষয় হল তারা মানসম্মত প্রশিক্ষণ দেয় না। আপনি যদি সেই শূন্যতা পূরণ করতে পারেন, তাহলে এটি আপনার ব্যবসাকে বাড়িয়ে তুলবে।

সাধারণত ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ সংস্থাগুলি যেসব বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়। আপনিও দিতে পারেন মান সম্মত এ ধরনের প্রশিক্ষণ। যেমন-

  • গ্রাফিক্স ডিজাইন
  • ওয়েব ডিজাইন
  • অ্যাফিলিয়েট মার্কেট
  • ভিডিও এডিটিং
  • অ্যাপস ডেভেলাপমেন্ট
  • 3D অ্যানিমেশন
  • ডিজিটাল মার্কেটিং
  • সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন

·        ৪৩) গাছ কেনা বেচা:

প্রকৃতিকে ভালোবাসেনা এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। ব্যস্ততার এই বেড়াঝালে মানুষ নিজেকে ফিরে পায় এই প্রযুক্তিতে। তাই আজকাল মানুষ গাছ রোপন করতে অনেক বেশি পছন্দ করে থাকে। তাই আপনি যদি গাছ কেনা বেচা পছন্দ করেন তাহলে আপনি অল্প সময়ে ভালো টাকা আয় করতে পারবেন।

আপনারা যদি কন্টেন্টটি শেয়ার করেন তবে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া ১১১টি এ কন্টেন্ট এর মতো আরো কন্টেন্ট লিখা আমার জন্য সহজ হবে।

  • ৪৪) অনলাইন বেকিং:

প্রতিটি উৎসবে বাঙালির কেক জাতীয় আইটেম দিয়ে উদযাপন করার প্রচলন রয়ে গেছে। তাই আপনি যদি বেকিং আইটেম তৈরিতে পারর্দশী হয়ে থাকেন তাহলে শুরু করতে পারেন এই ব্যবসা। আশা করি এই ব্যবসা আপনার জন্য লাভজনক একটি ব্যবসা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

  • ৪৫) বিভিন্ন ধরণের পাইকারি ব্যবসা:

আজকাল মানুষ সময়ের সাথে সাথে নানান ধরণের ব্যবসায় পদচারণা করছে। কেউ কাপড়ে ব্যবসা করতে চাচ্ছে ,কেউবা চকলেট। কেউ টি শার্টের ব্যবসা করতে চাচ্ছে কেউবা মগের ব্যবসা। আপনি যদি হয়ে থাকেন তাদের দলে নিশ্চয়ই আপনার ব্যবসার জন্য কাঁচামাল খুঁজেছেন। কিন্তু পাইকারি পণ্য কোথায় পাওয়া যায় সেই নিয়ে নতুন ব্যবসায় যারা পদচারণা করবে তাদের খুব চিন্তার একটি বিষয়। কিন্তু আপনি যদি পাইকারি ব্যবসা শুরু করুন যেখানে থেকে নতুন ব্যবসায়ীরা কিংবা পুরাতন ব্যবসায়ীরা তাদের পণ্যের কাঁচামাল সংগ্রহ করবে। এতে হয়ে উঠতে পারে আপনার বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসার মধ্যে অন্যতম একটি

  • ৪৬) বিভিন্ন ধরণের হাইজেনিক পণ্যের ব্যবসা:

বলা হয়ে থাকে স্বাস্থ্য সকল সুখের মূল। আসলেই ঠিক তাই, স্বাস্থ্য যতক্ষণ ভালো থাকবে আপনার সকল কাজে মনোযোগ বসবে। কিন্তু একবার স্বাস্থ্য খারাপ হলে আপনার জগতের কোন ধরণের কাজেই মন বসবে না। বর্তমানে করোনা মহামারীর প্রকোপ চলছে। এই সময় করোনা মহামারী থেকে বাঁচার জন্য মানুষ নানা ধরনের হাইজেন অণুসরন করছে। তাই হাইজেনিক বিভিন্ন ধরণের পণ্য যেমন মাস্ক, গ্লাভস, স্যানিটাইজার সহ বিভিন্ন ধরনের হাইজেনিক পণ্যসমূহ মানুষের চাহিদার প্রথম কেন্দ্ৰবিন্ধুতে পরিণত হয়েছে। তাই আপনি যদি বিভিন্ন ধরণের হাইজেনিক পণ্য ব্যবসা শুরু করেন তাহলে এটি হতে পারে আপনার জন্য লাভজনক একটি ব্যবসার মধ্যে অন্যতম।

৪৭. সেলুন ব্যবসা

সেলুন শিল্প বাংলাদেশের দ্রুত বেড়ে উঠা শিল্পগুলির মধ্যে একটি। আপনি এই বিজনেস ধারণা দিয়ে বিভিন্ন বয়সের  গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে পারেন।  আগে এটি ধনী উচ্চ-শ্রেণীর মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, কিন্তু এখন সমাজের সকল শ্রেণীর নারী ও পুরুষ উভয়েই চুল কাটা এবং সৌন্দর্য বাড়াতে সেলুনে যান। যদি আপনার সৌন্দর্য এবং স্বাস্থ্যসেবার প্রতি অভিজ্ঞতা থাকে তবে বাংলাদেশে সেলুন ব্যবসা শুরু করার কথা বিবেচনা করুন।  ঢাকায় অনেক সেলুন আছে। আপনি সিলেট, চট্টগ্রাম বা কক্সবাজারের মতো শহরে ব্যবসা শুরু করার কথা ভাবতে পারেন।  আপনার কাজে খুব ইউনিক হওয়ার চেষ্টা করুন এবং  ভাল ব্র্যান্ডের পণ্য ব্যবহার করুন।

আমি আশা করি লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া ১১১টি এ কন্টেন্টটি আপনাদের উপকারে আসবে। তাই কমেন্ট করার জন্য অনুরোধ রইলো।

৪৮) প্রসাধনী দোকান

বাংলাদেশে প্রসাধনী শিল্প খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। শহুরে মেয়েরা বেশিরভাগই এক বা একাধিক ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করে। বাংলাদেশের মতো বিপুল জনসংখ্যার একটি দেশে, এটি একটি বিশাল পরিমাণে চাহিদা।
এখন আপনি বাংলাদেশে একটি বিজনেস আইডিয়া হিসেবে একটি প্রসাধনী দোকানের গুরুত্ব বুঝতে পারেন। আপনি আমদানিকৃত এবং স্থানীয়ভাবে তৈরি প্রসাধনী উভয়ই বিক্রি করতে পারেন। আমদানি করা জিনিসগুলি অবশ্যই ব্যয়বহুল। আপনি একটি অনলাইন প্রসাধনী দোকানও বেছে নিতে পারেন, অনলাইনে সব ধরনের প্রসাধনী বিক্রি করা যায়।

৪৯) গার্মেন্টস ব্যবসা শুরু করুন

বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী পোশাক রপ্তানিকারকদের মধ্যে অন্যতম, এখানে গার্মেন্টস ব্যবসা অত্যন্ত লাভজনক। উভয় তৈরি পোশাক, সেইসাথে পোশাক খাত, দেশের অর্থনীতিতে অনেক অবদান রাখে। এই কারণে; গার্মেন্টস ব্যবসায় প্রচুর মুনাফা রয়েছে এবং এটি বাংলাদেশে একটি লাভজনক ব্যবসা হতে পারে।  ব্যবসা শুরু করার আগে গার্মেন্টস এবং তাদের ব্যবসায়িক দিক সম্পর্কে প্রশিক্ষণ নিলে ভালো হবে। একটি পোশাকের দোকান ছাড়াও, আপনি পোশাক তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় সুই, বোতাম, পিন, জিপ ইত্যাদি গার্মেন্টস কাঁচামাল এবং আনুষাঙ্গিকের ব্যবসা করতে পারেন।  আপনি অনলাইনেও এই ব্যবসা করতে পারেন।

৫০. আসবাবপত্রের দোকান

বাংলাদেশের মানুষ আসবাবপত্র, বিশেষ করে কাঠের আসবাবপত্র খুব পছন্দ করে। আজকাল, নির্মাতারাও সজ্জিত ঘর বা অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রির জন্য আসবাবপত্র খোঁজেন। সেজন্য আসবাবপত্র তৈরি বা আসবাবপত্রের দোকান বাংলাদেশে একটি ভালো বিজনেস আইডিয়া হতে পারে। যদি আপনি নিজেই আসবাবপত্র তৈরি করতে পারেন, তাহলে এটা খুবই ভালো। যদি আপনি না পারেন তবে আপনার ভাল আসবাবের  প্রতি অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। মান এবং নকশা নিয়ে আপোষ করবেন না। বেশি বেশি আপনার দোকানের বিজ্ঞাপন দিন। আপনি অনলাইনেও আসবাবপত্র বিক্রি করতে পারেন।

৫১. পেশাগত সেবা (প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ)

বাংলাদেশে অনেক পেশাগত সেবা সুবিধা রয়েছে। অর্থনীতির অগ্রগতির সাথে সাথে এই ধরণের পরিষেবার চাহিদা বাড়ছে।
সুতরাং, যদি আপনি পেশাগতভাবে যোগ্য হন তবে আপনি বাংলাদেশে এই বিজনেস আইডিয়া ভাবতে পারেন। আপনি আর্থিক পরামর্শ, এইচআর পরামর্শ, এবং প্রশিক্ষণ, নিরীক্ষা পরিষেবা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, প্রকৌশল পরিষেবা ইত্যাদির জন্য যেতে পারেন।
তা ছাড়া, আপনি আপনার কম্পিউটার, আইটি প্রশিক্ষণ, কর প্রশিক্ষণ ইত্যাদি বিষয়ে শুরু করতে পারেন পরামর্শগত সেবা।

৫২. নিরাপত্তা সংস্থা

বড় থেকে ছোট অফিস, হাউজিং কমপ্লেক্স এবং বাংলাদেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা সেবা প্রয়োজন। তদুপরি, বিভিন্ন ধরণের সমস্যার সাথে, ব্যক্তিগত সুরক্ষারক্ষীদের চাহিদা রয়েছে। সুতরাং, বাংলাদেশে একটি নিরাপত্তা এজেন্সি সেবা শুরু করা একটি ভাল বিজনেস আইডিয়া। বিভিন্ন ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য আপনাকে আপনার নিরাপত্তারক্ষীদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে। আপনি যদি শহরবাসী হন তবে আপনি আপনার স্থানীয় এলাকা দিয়ে শুরু করতে পারেন। মুখের প্রচারের কথা ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করবে। তাছাড়া, আপনাকে সংবাদপত্র, রেডিও, টিভি, ফ্লায়ার ইত্যাদির মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিতে হবে।

আপনারা পড়ছেন লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া ১১১টি। যদি কারো ফেসবুক মার্কেটিং এর প্রয়োজন পড়ে তবে এখানে ক্লিক করার জন্য অনুরোধ রইলো।

৫৩. কুরিয়ার সার্ভিস

অনলাইন যোগাযোগের বৃদ্ধি সত্ত্বেও, কিছু নথিপত্র বা ডকুমেন্টস এবং অন্যান জিনিস রয়েছে যা তাড়াতাড়ি এবং ঝামেলামুক্ত ডেলিভারির জন্য কুরিয়ার সার্ভিস দ্বারা সরবরাহ করা হয়।
বাংলাদেশেও কুরিয়ার সার্ভিসের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। সুতরাং, আপনি এখানে আপনার কুরিয়ার সার্ভিস বিজনেস শুরু করতে পারেন। এই বিজনেসের জন্য অনেক প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আপনাকে একটি সঠিক অফিস স্থান নির্বাচন করতে হবে, ভাল কর্মচারী নিয়োগ করতে হবে, ভ্যানের ব্যবস্থা করতে হবে এবং দক্ষতার সাথে আপনার সেবার প্রচস্র করতে হবে।  কিন্তু, এটি একটি বেশ ভালো বিজনেস আইডিয়া।

৫৪. বইয়ের দোকান (এছাড়াও অনলাইন)

বাংলাদেশীরা বইপ্রেমী।  তারা অনেক কিছুর চেয়ে বই বেশি পছন্দ করে এবং নিয়মিত বই কিনে। এই কারণেই আপনি বইয়ের দোকানকে বাংলাদেশে একটি লাভজনক বিজনেস হিসেবে বিবেচনা করতে পারেন। পাঠ্যের পাশাপাশি পাঠ্যবিহীন বই রয়েছে, যা আপনি আপনার দোকানে বিক্রি করে ভালো লাভ পেতে পারেন। পাঠকদের সুবিধার জন্য আপনি অনলাইনেও বই বিক্রি করতে পারেন। আপনি যদি টেকনিক্যালি যথেষ্ট  হন, তাহলে আপনি একটি অ্যাপ ডেভেলপ করতে পারেন এবং পাঠকদের জন্য একটি  বিকল্প ইবুক অফার করার পাশাপাশি বিজ্ঞাপন থেকে উপার্জন করতে পারেন।

লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া এ প্রবন্ধটি পড়ার পর আপনি যে ব্যবসা করবেন সে বিষয়ে বিস্তারিত জ্ঞান অর্জন করুন।

৫৫. সুপার শপ

সুপার স্টোর হল আপনার সমস্ত মুদি ও দৈনন্দিন চাহিদার জন্য এক স্টপ শপ। শহুরে বাংলাদেশে মধ্যবিত্ত মানুষের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা এবং তাদের সময়ের অভাব এই ধরনের দোকানগুলির জন্য একটি ভাল চাহিদা তৈরি করেছে।
ফলস্বরূপ, এটি এখন বাংলাদেশে একটি দুর্দান্ত বিজনেস আইডিয়া। স্থান এই ব্যবসার একটি মূল বিষয়। পশ আবাসিক এলাকা এর জন্য আদর্শ স্থান।  আপনাকে দোকানে পণ্যগুলির একটি ভাল মান বজায় রাখতে হবে। রেডিও, টিভি, প্রচারপত্র ইত্যাদির মাধ্যমে আপনার দোকানের বিজ্ঞাপন দিন।

মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিন।

৫৬. কোচিং এবং স্পোকেন ইংলিশ ক্লাস

বাংলাদেশে শিক্ষার্থীদের সঠিক দিকনির্দেশনার চাহিদা অনেক বেশি। সুতরাং, যদি আপনার নিখুঁত ইংরেজি উচ্চারণের সাথে একটি ভাল একাডেমিক সার্টিফিকেট থাকে, আপনি কোচিং এবং  ইংরেজি ক্লাসের কথা ভাবতে পারেন, শিক্ষা সবসময় ভাল রিটার্ন দেয়।  আপনি বাড়ি থেকে শুরু করতে পারেন এবং তারপর ধীরে ধীরে কোচিং সেন্টারের জন্য একটি রুম ভাড়া নিতে পারেন এবং প্রয়োজনে অন্যান্য শিক্ষক নিয়োগ করতে পারেন।

৫৭. মুরগির ডিমের বিজনেস

পোল্ট্রি ফার্ম বাংলাদেশে একটি পুরনো ব্যবসা। এটি এখনও একটি মহান চাহিদা এবং একটি ভাল মুনাফা বিত্তিক বিজনেস। সুতরাং, কৃষিভিত্তিক বাংলাদেশে এটি একটি ভালো বিজনেস ধারণা।  আপনাকে একটি সঠিক স্থান, মুরগির একটি ভাল জাত, তাদের খাবার এবং সঠিক সতর্কতা বেছে নিতে হবে। কিন্তু ব্যবসা শুরু করার আগে আপনার ভালো প্রশিক্ষণ এবং জ্ঞান প্রয়োজন।

লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া এ প্রবন্ধটি আপনাকে সফল হওয়ার বিষয়ে নিশ্চয়তা বিধান করে না। ইহা শুধুমাত্র আপনাকে ইন্ডিকেট করে।

৫৮. হাঁসের চাষ

বাংলাদেশে মুরগির ডিমের চেয়ে হাঁসের ডিমের চাহিদা বেশি। এর মাংসও বেশ জনপ্রিয়। সুতরাং, এটি আপনার জন্য একটি ভাল ব্যবসায়িক ধারণা। হাঁস পালন তুলনামূলকভাবে সহজ। আপনার একটি পুকুর বা কোন জলাশয় থাকতে হবে। তারপর আপনাকে বংশ, খাদ্য, আশ্রয় এবং তাদের রোগের সঠিক ব্যবস্থাপনা নির্বাচন করতে হবে। ডিম পাড়ার পর, সেগুলো পরিষ্কার করে ভালোভাবে প্যাক করে নিতে হবে।  মনে রাখবেন, মাংস এবং ডিম উৎপাদনের জন্য হাঁসের আলাদা জাত রয়েছে।  সুতরাং, আপনাকে আপনার ব্যবসার মডেল অনুসারে জাতটি বেছে নিতে হবে।

৫৯. ছাগল পালন

বাংলাদেশে ছাগলের মাংস খুবই জনপ্রিয়। সাথে ছাগলের চামড়াও। আপনি কম ঝামেলা সহ বড় মুনাফার জন্য এই ব্যবসায়িক ধারণাটি নির্বাচন করতে পারেন। আপনাকে সঠিক সময়ে অবস্থান, জাত নির্বাচন, খাদ্য, চিকিৎসা সেবা, প্রজনন এবং বিপণনের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে।

রোগ এড়াতে আপনাকে ছাগলকে সময়মত টিকা দিতে হবে। তাদের উচ্চ চাহিদার কারণে বাংলাদেশে ছাগলের ব্যবসা কঠিন কাজ নয়।

৬০. মৌমাছি চাষ

মধু বাংলাদেশের একটি মূল্যবান খাদ্য। একটি ব্যবসায়িক ধারণা হিসাবে বাণিজ্যিক মৌমাছি চাষের ব্যবসায়িক সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে। আপনি মৌমাছির মতো মৌমাছি, রাজকীয় জেলি এবং পরাগ, মোম ছাড়াও প্রচুর পণ্য পেতে পারেন যা বাজারজাতযোগ্য। প্রথমত, আপনাকে মধু সর্বোত্তম উৎপাদনের জন্য একটি স্থান নির্বাচন করতে হবে। এই ব্যবসার জন্য, মৌমাছি থেকে মধু সংগ্রহের জন্য আপনার দক্ষ জনশক্তি এবং নির্দিষ্ট সরঞ্জাম প্রয়োজন। ক্রেতা পাওয়ার জন্য আপনার মানুষের সাথে ভাল নেটওয়ার্কিংও দরকার।

লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া ১১১টি এ প্রবন্ধটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

৬১. দুগ্ধ চাষ

বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে দুধের চাহিদা বাড়ছে। কিন্তু বিভিন্ন কারণে উৎপাদন ততটা সন্তোষজনক নয়। এই ব্যবসায়িক পরিকল্পনা গ্রহণ এবং মুনাফা অর্জনের জন্য এটি আপনার ভাল সুযোগ হতে পারে। আপনাকে সাবধান হতে হবে এবং কৃষিবিদ, পশুচিকিত্সা ডাক্তারদের মত বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিতে হবে; আর্থিক পরিকল্পনাকারী ইত্যাদি।

পরবর্তী, আপনাকে জাত নির্বাচন করতে হবে, ফিডের ব্যবস্থা করতে হবে, সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করতে হবে এবং আপনার পণ্যের বাজার খুঁজে বের করতে হবে।  মনে রাখবেন, দুগ্ধজাত গবাদি পশু কেবল দুধ, বাছুর এবং মাংসই উৎপাদন করে না বরং অন্যান্য পণ্য যেমন সার, মিথেন এবং চামড়ার মতো উপজাতও তৈরি করে।

৬২. মসলা উৎপাদন

মশলা একটি নিয়মিত খাদ্য উপাদান এবং এটি বেশিরভাগ বাংলাদেশিরা ব্যাপকভাবে খায়। আপনি সীমিত বিনিয়োগে ক্ষুদ্র পরিসরে মসলা উৎপাদন ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

৬৩. কাগজের প্লেট

বাংলাদেশে গত কয়েক বছর ধরে ডিসপোজেবল কাগজের প্লেটের চাহিদা বাড়ছে এবং এটি আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। পেপার প্লেট উৎপাদন ব্যবসা শুরু করার জন্য আপনার খুব কম বিনিয়োগ এবং অল্প জায়গার প্রয়োজন।

৬৪. হ্যান্ড স্যানিটাইজার উৎপাদন

কোভিড মহামারীর পরে, হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিক্রিতে ব্যাপক বৃদ্ধি রয়েছে। আপনার যদি হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা এবং জ্ঞান থাকে, তবে এটি বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে লাভজনক উৎপাদন ব্যবসায়িক ধারণার মধ্যে একটি।

ব্যবসা করার খেয়াল থাকলে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া ১১১টি এ প্রবন্ধ পড়ার সাথে সাথে অনলাইন থেকে জাতীয় আরো প্রবন্ধ পড়ুন।

৬৫. ফেস মাস্ক ম্যানুফ্যাকচারিং

মাস্কের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। ফেস মাস্ক তৈরির জন্য আপনার খুব কম বিনিয়োগ প্রয়োজন এবং পণ্য বিক্রির জন্য একটি বড় দেশীয় বাজার রয়েছে।

৬৬. ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসা

আপনি যদি ভ্রমনপিপাসু মানুষ হয়ে থাকেন তাহলে আপনি একটি ট্রাভেল এজেন্সি দিতে পারেন। আমরা জানি যে দেশে পর্যটকের সংখ্যা বেড়েই চলছে। আর বেশিরভাগ পর্যটক ঝামেলা এড়ানোর জন্য ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে বেড়াতে পছন্দ করে। তাই ট্রাভেল এজেন্সির চাহিদা বেড়েই চলছে। ট্রাভেল এজেন্সির খোলার আগে কিছু কাজ করতে হবে যেমন বেড়ানোর স্পট ঠিক করা, হোটেল এবং পরিবহন কোম্পানির সাথে চুক্তি করা। চুক্তি করা থাকলে আপনি বিভিন্ন ধরণের সুবিধা পাবেন যেমন সহজেই ছাড়ে হোটেল রুম পাওয়া এবং চাহিদা অনুযায়ী বাসের বা বিমানের টিকিট পাওয়া ইত্যাদি।

৬৭. ডিলারশিপ ব্যবসা

আপনারা প্রায়ই পত্রিকায় দেখে থাকবেন অমুক কোম্পানির ডিলারশিপ নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। সেই বিজ্ঞাপনে কতগুলো শর্ত দেওয়া থাকে। কেউ যদি ডিলারশিপের জন্য আবেদন করতে চায় তাহলে তাকে সেসব শর্ত পূরণ করতে হবে। একেক কোম্পানির শর্ত একেক রকম। তবে শর্তগুলো কাছাকাছি হয়ে থাকে। যেমন আপনার গোডাউন বা শোরুম থাকতে হবে। কমার্শিয়াল এরিয়াতে অবস্থান হতে হবে। ট্রেড লাইসেন্স, ব্যাংক অ্যাকাউন্টসহ বিভিন্ন শর্ত দিয়ে থাকে। আপনি যদি শর্ত পূরণ করে ডিলারশিপ নিতে পারেন তাহলে আপনার জন্য ভাল হবে কারণ এই ব্যবসা অনেকটা ঝুঁকিমুক্ত এবং লাভজনক ব্যবসা।

লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া ১১১টি এ প্রবন্ধটি একটি সেবামূলক প্রবন্ধ। তাই সকলের দোয়া কামনা করছি যাতে এ ধরনের আরো প্রবন্ধ লিখতে পারি।

৬৮. অনলাইনে পোশাক বিক্রি

এটি একটি লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া। আজকাল অনেকেই বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তারা অনলাইনে পোশাক বিক্রি করে স্বাবলম্বী হচ্ছে। অনলাইনে পোশাক বিক্রি করার জন্য আপনার ফেসবুকে একটি পেইজ থাকতে হবে। সেই পেইজের মাধ্যমে আপনি আপনার গ্রাহকদের সামনে পোশাকের সকল গুনাগুণ তুলে ধরবেন। আপনি যদি সুন্দরভাবে সবকিছু উপস্থাপনা করতে পারেন তাহলে অবশ্যই অনেক গ্রাহক পাবেন।

৬৯. ফিড মিল

ফিড মিল একটি লাভজনক উৎপাদন ব্যবসার আইডিয়া। কারণ দেশে এখন মাছ, মুরগির, গবাদিপশুর খামারের সংখ্যা বেড়েই চলছে। যার ফলে মাছ, মুরগী, গবাদিপশুর খাবারের প্রচুর চাহিদা। ফিড মিলের জন্য আপনার কয়েক একরের একটি যায়গা লাগবে। সেখানে অফিস, গুদামঘরসহ অন্যান্য স্থাপনা থাকবে। মিলের কাঁচামাল প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য আপনার মেশিন লাগবে। এসব মেশিন বেশিরভাগ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। যায়গা, যন্ত্রপাতিসহ সবকিছু মিলে আপনাকে বড় অংকের অর্থ বিনিয়োগ করতে হবে।

৭০. গরুর খামার

ভারত থেকে কোরবানির গরু আসা বন্ধ করে দেওয়ার পর থেকে বাংলাদেশে গরুর খামার করার প্রতি উদ্যোক্তাদের আগ্রহ অনেক বেড়ে যায়। কারণ প্রতি বছর আমাদের দেশে প্রায় ৭০-৮০ লাখ গরুর প্রয়োজন। এতদিন ভারতের গরু দিয়ে একটা বড় অংশ পূরণ করা হতো। গরুর খামার যথেষ্ট লাভজনক ব্যবসা। মুরগীর খামারের মত গরুর খামার করার আগে গরু লালন পালন সংক্রান্ত বিষয়াদি খুব ভাল করে জেনে নিবেন যাতে ভবিষ্যতে কোন সমস্যায় না পড়েন।

লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া ১১১টি এ প্রবন্ধটি পড়ার সাথে সাথে এ ওয়েবসাইটের অন্যান্য পোস্ট ভিজিট করার জন্য অনুরোধ করছি।

৭১. ফটোকপি/ মোবাইল ব্যাংকিং/ অনলাইন সেবা ব্যবসা

রাস্তায় বের হলেই এই দোকানগুলো খুব বেশি দেখা যায়। একই দোকানে বিভিন্ন সেবা। আপনি যদি একই সাথে ফটোকপি, ফ্লেক্সিলোড, মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন আবেদনসহ সব সেবা দিতে চান তাহলে আপনার দোকানে আপনি ছাড়াও আরও কমপক্ষে দুজন লোক লাগবে। আপনি যদি একা সব খরচ বহন করতে না পারেন তাহলে পার্টনারশিপে ব্যবসা করতে পারেন। আপনার সাথে দুজনকে নিয়ে যদি একটি দোকান দেন তাহলে খরচ অনেক কম হবে।

৭২. ইন্টেরিয়র ডিজাইন ব্যবসা

ইন্টেরিয়র ডিজাইন ব্যবসা একটি সৃজনশীল ব্যবসার আইডিয়া। আপনি যদি দক্ষ ডিজাইনার হয়ে থাকেন তাহলে আপনি ইন্টেরিয়র ডিজাইন ব্যবসা শুরু করতে পারেন। ইন্টেরিয়র ডিজাইনারদের বর্তমানে খুব চাহিদা। সৌখিন মানুষ তাদের ঘর সাজানোর জন্য ইন্টেরিয়র ডিজাইনারদের নিয়োগ দেয়। এছাড়া অফিস, কমিউনিটি সেন্টার, হোটেল, রেস্তোরাঁ ইত্যাদি সাজানোর কাজ ইন্টেরিয়র ডিজাইনারদের দেওয়া হয়। তাই আপনার যদি এই ব্যবসায় আগ্রহ থাকে তাহলে কিছু দক্ষ ডিজাইনার নিয়ে ব্যবসায় নেমে যান।

৭৩. ফুলের ব্যবসা

বাংলাদেশে ফুলের বাজার বেড়েই চলছে। বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার সোসাইটির তথ্য মতে বাংলাদেশে ফুলের বাজার ১৬ হাজার কোটি টাকার উপর। বিভিন্ন উপলক্ষ যেমন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ভালবাসা দিবসসহ বিভিন্ন দিবসে ফুলের বিক্রি ব্যাপক হারে বেড়ে যায়। একটি দোকান নিয়েই আপনি এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। আবার কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি কিনে বিভিন্ন দোকানে সাপ্লাই দিতে পারেন।

৭৪. আমদানি-রফতানি ব্যবসা

এটি খুবই লাভজনক একটি ব্যবসার আইডিয়া। তবে সবাই এই ব্যবসা করতে পারবে না। কারণ এই ধরণের ব্যবসা করার জন্য আপনার অনেক পুঁজি লাগবে। এছাড়া বিদেশে বিক্রেতার সাথে যোগাযোগের ব্যাপার আছে। আপনার প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা না থাকলে অনেক বিক্রেতা আপনার কাছে পণ্য বিক্রি করতে চাইবে না আবার আপনিও রপ্তানি করতে পারবেন না। বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি করার জন্য বা বিদেশে রপ্তানির জন্য আপনার লাইসেন্স থাকতে হবে। পণ্য আমদানি-রপ্তানি করার জন্য এলসি করা থেকে শুরু করে সকল ডকুমেন্ট নিয়ম অনুযায়ী তৈরি করা এবং জমা দেওয়ার বিষয়গুলো সম্পর্কে ভাল করে জেনে নিতে হবে।

৭৫. কম্পিউটার সামগ্রীর দোকান 

যেসব এলাকায় শিক্ষিত এবং সচ্ছল মানুষ বেশি সেসব এলাকায় কম্পিউটার সামগ্রীর দোকান দিতে পারেন। এটি একটি লাভজনক ব্যবসা। তবে কম্পিউটারের সামগ্রীর দাম যেহেতু বেশি তাই এই ব্যবসা শুরু করতে হলে আপনাকে ২-৪ লাখ টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। তবে দোকানের আয়তন বেশি হলে আর সামগ্রীর পরিমাণ বেশি হলে আরও অনেক বেশি বিনিয়োগ করতে হবে।

লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া ১১১টি প্রবন্ধটি অল্প সময়ে লিখা বিধায় ভূলত্রুটির জন্য কমেন্ট করতে অনুরোধ করছি।

৭৬. প্রুফরিডিং ব্যবসা

প্রতিদিন হাজার হাজার ওয়েবসাইট কন্টেন্ট তৈরি হচ্ছে। এছাড়া লেখকরা বিভিন্ন বিষয়ের উপর বই লিখছেন। কিন্তু এসব লেখা নির্ভুল করার জন্য প্রুফরিডারদের প্রয়োজন। প্রুফরিডারদের কাজ হচ্ছে বানান এবংব্যাকরণ ঠিক আছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখা এবং ভুল হলে সংশোধন করা। এই ব্যবসা করার জন্য এমন কিছু কর্মী প্রয়োজন যারা খুব মনোযোগের সাথে একটানা পড়তে পারে। বানান এবং ব্যাকরণ সম্পর্কে খুব ভাল জ্ঞান আছে।

৭৭. এফ-কমার্স 

এফ-কমার্স হচ্ছে ফেসবুক কমার্স। ফেসবুক কমার্স বর্তমানে খুব জনপ্রিয় একটি নাম। বাংলাদেশে হাজারো মানুষ এফ-কমার্স এর মাধ্যমে প্রচুর আয় করছে। ই-ক্যাব এর তথ্য মতে বাংলাদেশে প্রায় ২০ হাজার ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে উদ্যোক্তারা তাদের ব্যবসা পরিচালনা করছে। বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তারা ফেসবুক গ্রুপ এবং পেইজের মাধ্যমে তাদের ব্যবসাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। কম খরচে ব্যবসা করার জন্য ফেসবুক হচ্ছে সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম।

৭৮. অনলাইনে কোর্স বিক্রি  

অনলাইনে কোর্স বিক্রি একটি স্মার্ট ব্যবসার আইডিয়া। অনেকেই এখন অনলাইনে কোর্স বিক্রি করে অনেক আয় করছে। বহুব্রীহি এমন একটি প্লাটফর্ম। এরা বিভিন্ন বিষয়ের উপর ভিডিও তৈরি করছে এবং তাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করছে।  আপনি যদি কোন বিষয়ে খুব দক্ষ হয়ে থাকেন তাহলে সেসব বিষয়ে ভিডিও তৈরি করে অনলাইনে বিক্রি করতে পারেন। এছাড়া আপনি কোর্স তৈরি করে udemy নামের এই ওয়েবসাইটে বিক্রি করে আয় করতে পারবেন। লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া ১১১টি এ প্রবন্ধ থেকে আইডিয়া নেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

৭৯. প্রিন্ট অন ডিমান্ড বিজনেস

আপনারা লক্ষ করলে দেখে থাকবেন টিশার্ট, ক্যাপ, মগ, ব্যাগ ইত্যাদির উপর বিভিন্ন ধরণের ডিজাইন করা থাকে। এসব ডিজাইন করার জন্য ডিজাইনারদের দায়িত্ব দেওয়া হয়। প্রতিটি ডিজাইনের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি প্রদান করা হয়। আপনিও যদি একজন ডিজাইনার হয়ে থাকেন তাহলে আপনি এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন।টিশার্ট, ক্যাপ, মগ, ব্যাগ ইত্যাদির উপর ডিজাইন করার জন্য কিছু মেশিন প্রয়োজন যেগুলো আপনাকে কিনতে হবে। আর আপনাকে সহযোগিতা করার জন্য কিছু দক্ষ কর্মীর প্রয়োজন হবে।

৮০. কাঁচাবাজার ডেলিভারি ব্যবসা

আজকাল মানুষ অনেক ব্যস্ত হয়ে গেছে। অনেক পরিবার আছে যাদের স্বামী স্ত্রী দুজনই চাকরি করে। অনেক পরিবার আছে যাদের বাজারে যাওয়ার মত লোক নেই। এসব পরিবার টার্গেট করে আপনি শুরু করতে পারেন কাঁচাবাজার ডেলিভারি ব্যবসা। প্রতিদিন সকালে কাঁচাবাজার সংগ্রহ করে একটি ভ্যান বা ছোট ট্রাকে করে বাসায় বাসায় সাপ্লাই দিতে পারেন।

লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া ১১১টি প্রবন্ধটি শেয়ার করার জন্য রিকোয়েস্ট করছি।

৮১. বেবি কেয়ার সেন্টার

চাকরিজীবী মায়েদের সন্তান দেখাশুনা করা একটা বড় চ্যালেঞ্জের বিষয়। কারণ বাসায় যদি কেউ না থাকে তাহলে সন্তান বাসায় রেখে চাকরি করা তাদের জন্য অসম্ভব হয়ে যায়। তাই এসব পরিবারের বাবা-মাদের জন্য বেবি কেয়ার সেন্টার হচ্ছে একমাত্র সমাধান। আর স্বামী স্ত্রী দুজনই চাকরি করে এরকম চাকরিজীবী পরিবারের সংখ্যা বেড়েই চলছে।

তাই যেসব এলাকায় চাকরিজীবী মানুষের সংখ্যা বেশি সেসব এলাকায় এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। শিশুদের খেলনা আর তাদের দেখাশুনা করার জন্য কিছু মহিলা নিয়োগ দিয়ে একটি রুম ভাড়া নিয়ে বা নিজের বাড়িতেও এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

৮২. মাছের ব্যবসা

যারা পুকুরে মাছ চাষ করে বা নদী সাগরে মাছ ধরতে যায় তাদের জন্য এই ব্যবসা। তবে আপনার মাছের ঘের না থাকলেও আপনি মধ্যসত্ত্বভোগী হিসেবে মাছের ব্যবসা করতে পারেন। মাছের পাইকারি বাজার থেকে মাছ কিনে বিভিন্ন এলাকার বাজারে সাপ্লাই দিতে পারেন। এসব ব্যবসায় প্রচুর লাভ। আপনি মাছ কিনে ট্রাক দিয়ে বিভিন্ন অঞ্চলের বাজারে সাপ্লাই দিবেন আর আয় করবেন। এই ধরণের ব্যবসা করার জন্য একটি ট্রাক থাকলে খুব ভাল। তাহলে ট্রাক ভাড়ার খরচটা বেঁচে যাবে।

আর নিজের এলাকায় সাপ্লাই দিলে নসিমন-করিমন বা ব্যাটারি রিকশা দিয়েও মাছ সরবরাহের কাজ করতে পারবেন।

লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া ১১১টি প্রবন্ধটি শেয়ার করার জন্য রিকোয়েস্ট করছি।

৮৩. আড়তের ব্যবসা

আড়তের ব্যবসা করার জন্য আপনাকে অবশ্যই একটা বড় যায়গা ভাড়া নিতে হবে। নিজের ব্যক্তিমালিকানায় হলে তো কথাই নেই। আড়তগুলো সাধারণত বাজারের মত জমজমাট এলাকায় থাকে।এই ধরণের ব্যবসা অনেক লাভজনক। আড়তদাররা একসাথে প্রচুর পরিমাণে পণ্য ক্রয় করে থাকে এবং বিক্রিও করে থাকে পাইকারদের কাছে। আপনি যদি কতগুলো বড় গ্রাহককে নিয়মিত গ্রাহক বানাতে পারেন তাহলে এই ব্যবসায় আপনি সহজে ক্ষতির সম্মুখীন হবেন না।

৮৪. চামড়ার ব্যবসা

একটা সময় ছিল যখন গবাদি পশুর চামড়ার অনেক মূল্য ছিল। মাঝারি আকারের একটা গরুর চামড়ার দাম ছিল ১৫০০ থেকে ১৮০০ টাকা। বড় আকারের গরুর চামড়ার মূল্য ছিল ২৫০০ টাকার উপরে। তখন চামড়ার ব্যবসা করে মৌসুমি ব্যবসায়ীসহ আড়তদাররাও অনেক লাভ করেছে। কিন্তু সেই দিন আর নেই। ট্যানারি মালিকদের কারসাজিতে চামড়ার মূল্যে ব্যাপক ধ্বস হয়েছে। তারপরও আপনি যদি বাজারের পরিস্থিতি অনুযায়ী চামড়া কিনতে পারেন তাহলে এখনো মোটামুটি লাভ করা সম্ভব।

লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া ১১১টি প্রবন্ধটি শেয়ার করার জন্য রিকোয়েস্ট করছি।

৮৫. মৌসুমি ফলের ব্যবসা 

মৌসুমি ফলের ব্যবসা একটি লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া। শহরের কোন জমজমাট এলাকায় বা গ্রামের বাজার এলাকায় যদি আপনার দোকান থাকে তাহলে এই ব্যবসা আপনি করতে পারেন। আপনি খুচরা ব্যবসা করতে পারেন আবার পাইকারী ব্যবসাও করতে পারেন। আড়তদার হলে পাইকারি ব্যবসা আর দোকান থাকলে খুচরা ব্যবসা। আর আপনার বাড়ি যদি উত্তর বঙ্গে হয়ে থাকে আমের মৌসুমে আপনি ভাল একটা ব্যবসা করতে পারবেন। ছোট বড় অনেক উদ্যোক্তা এখন আমের ব্যবসার সাথে যুক্ত হচ্ছে।

৮৬. ডেকোরেটর ব্যবসা

বিয়ে, মেজবান, জন্মদিন, সুন্নতে খাতনা, আকিকা, হালখাতা, ধর্মীয় অনুষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি অফিসে অনুষ্ঠান এবং খাবারের আয়োজন করার জন্য ডেকোরেটর প্রতিষ্ঠানের দ্বারস্থ হতে হয়। গ্রাম থেকে শহর সব যায়গায় এদের কদর আছে। এই ব্যবসা করার জন্য আপনার বিভিন্ন ধরণের সরঞ্জাম কিনতে হবে। যেমন প্যান্ডেল, লাইট, বাঁশ, পাতিল, প্লেট, চেয়ার, টেবিল ইত্যাদি।

লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া ১১১টি প্রবন্ধটি শেয়ার করার জন্য রিকোয়েস্ট করছি।

৮৭. ডায়াগনস্টিক সেন্টার

এটি একটি সেবামূলক ব্যবসার আইডিয়া। ডাক্তাররাই সাধারণত এই ধরণের ব্যবসা করে থাকে। একটা ডায়াগনস্টিক সেন্টার দিতে হলে আপনার একটা বিল্ডিং ভাড়া নিতে হবে। তারপর নার্সসহ অন্যান্য স্টাফ নিয়োগ দিতে হবে। বিভিন্ন বিষয়ের বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের আপনার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বসার জন্য কমিশনসহ অন্যান্য অফারের ব্যবস্থা করতে হবে।

৮৮. চশমার ব্যবসা

দুই তিন লাখ টাকায় শুরু করা যায় এমন একটি ব্যবসা হচ্ছে চশমার ব্যবসা। পুরান ঢাকার পাটুয়াটুলি হচ্ছে চশমার জন্য বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পাইকারি মার্কেট যেখান থেকে অনেক কম মূল্যে চশমা কিনতে পারবেন। এখানে আপনি ২০০০ টাকার ফ্রেম মাত্র ৫০০ টাকায় পেয়ে যাবেন। চশমার দামও কোন নির্দিষ্ট নয়। ক্রেতাভেদে ২০০-৭০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা যায়। সাধারণ চশমার পাশাপাশি কন্টাক্ট লেন্সের চশমাও বিক্রি করতে পারেন। এগুলোর দাম তুলনামূলক বেশি তাই লাভের পরিমাণও বেশি।

লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া ১১১টি প্রবন্ধটি শেয়ার করার জন্য রিকোয়েস্ট করছি।

৮৯. বই প্রকাশনী ব্যবসা

বই প্রকাশনী ব্যবসা একটি লাভজনক ব্যবসা। এই ব্যবসা করার জন্য আপনাকে লাইসেন্স নিতে হবে। বিভিন্ন লেখকদের সাথে যোগাযোগ রাখতে হবে। ভাল লেখকদের বই ছাপাতে পারলে আপনার লাভ বেশি। কারণ ভাল লেখকদের বইয়ের বিক্রি হয় বেশি। আবার যারা নতুন লেখক তাদের সাথে পার্টনারশিপে বই প্রকাশ করতে পারেন। এর ফলে আপনার ঝুঁকি অনেক কম থাকবে।

৯০. গাড়ি মেরামত ব্যবসা

আমাদের দেশে গাড়ির সংখ্যা বেড়েই চলেছে। সামনে এই সংখ্যা বাড়তেই থাকবে। তাই আপনি যদি গাড়ি মেরামতে দক্ষ কারিগর হয়ে থাকেন তাহলে এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। গাড়ি মেরামতের পাশাপাশি গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশের ব্যবসাও করতে পারবেন। এই ব্যবসা যথেষ্ট লাভজনক।

লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া ১১১টি প্রবন্ধটি শেয়ার করার জন্য রিকোয়েস্ট করছি।

৯১. গাড়ি বিক্রি ব্যবসা

 গাড়ি বিক্রি ব্যবসা করতে চাইলে আপনাকে অনেক বড় বিনিয়োগ করতে হবে। গ্রাহক আকর্ষণ করার জন্য আকর্ষণীয় শো-রুম থাকতে হবে। আবার অনলাইনেও গাড়ি বিক্রির ব্যবসা করতে পারবেন। আমাদের দেশে গাড়ি ব্যবসা মানেই বিদেশ থেকে পুরনো রিকন্ডিশন গাড়ি আমদানি করে দেশের মার্কেটে বিক্রি করা। তবে এখন মানুষের আয় বাড়ছে। তাই ধীরে ধীরে বিলাসবহুল দামী গাড়ির চাহিদাও বাড়ছে। আপনি চাইলে দেশের মার্কেট থেকেও ব্যবহৃত গাড়ি কিনে ব্যবসা করতে পারবেন। পুরনো গাড়ি কেনার আগে অবশ্যই ভাল করে সব যন্ত্রপাতি ঠিক আছে কিনা চেক করে নিবেন।

৯২. রেন্ট-এ-কার ব্যবসা

বর্তমানে রেন্ট-এ-কার ব্যবসা একটি জমজমাট ব্যবসা। বিয়ে, পিকনিক, বেড়ানো, বিভিন্ন মিটিং এ অংশ নেওয়ার জন্য মানুষ গাড়ি ভাড়া করে থাকে। ইদসহ বিভিন্ন উপলক্ষে ভাড়া গাড়ির চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। আপনার যদি নিজের গাড়ি থাকে তাহলে এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। বড় আকারে করতে চাইলে কিছু পুরনো গাড়ি কিনে এই ব্যবসা চালাতে পারেন। ভাল এবং বিশ্বস্ত ড্রাইভার নিয়োগ দিতে হবে না হলে এরা আপনার লাভের একটা অংশ খেয়ে ফেলতে পারে।

৯৩. কার ওয়াশ সার্ভিস

এই ধরণের ব্যবসা দেওয়ার জন্য আপনার মোটামুটি বড় একটা স্পেস লাগবে। গাড়ি ধুয়ে পরিষ্কার করার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কিনতে হবে এবং গাড়ি রাখার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি করতে হবে।

লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া ১১০টি প্রবন্ধটি শেয়ার করার জন্য রিকোয়েস্ট করছি।

৯৪. কনসালটেন্সি বিজনেস

আপনি যদি কোন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হয়ে থাকেন তাহলে আপনি এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন।কনসালটেন্সি মানে শুধু আইন, স্থাপত্য, মনোবিজ্ঞান বা বিনিয়োগ বিষয়ক না সেটা যে কোন বিষয়ে হতে পারে। আপনি যদি একজন ডিজিটাল মার্কেটার হয়ে থাকেন তাহলে আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং বিষয়ে পরামর্শ দিতে পারেন। আপনি একজন কম্পিউটার এক্সপার্ট হয়ে থাকেন তাহলে কম্পিউটারের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান এবং অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে পরামর্শ দিয়ে আয় করতে পারবেন।

৯৫. বুটিক শপ

আজকাল নারী উদ্যোক্তাদের কাছে এটি একটি জনপ্রিয় ব্যবসার নাম। অনেক নারী ফ্যাশন ডিজাইনার তাদের ডিজাইন করা কাপড় নিজস্ব শো-রুমের মাধ্যমে বিক্রি করছে। এসব পোশাকের প্রচুর চাহিদা আছে। আপনি যদি যুগের সাথে তাল মিলিয়ে জামার সুন্দর সুন্দর ডিজাইন করতে পারেন তাহলে আপনি প্রচুর গ্রাহক পাবেন।

৯৬. অ্যাকাউন্টিং সার্ভিস 

অ্যাকাউন্টিং সার্ভিসের মধ্যে রয়েছে আর্থিক বিবরণী প্রস্তুত করা, ভ্যাট ট্যাক্স বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া, কোম্পানির বিজনেস ডেভেলপমেন্টে সাহায্য করা ইত্যাদি। আপনি যদি দক্ষ এবং অভিজ্ঞ অ্যাকাউন্টেন্ট হয়ে থাকেন তাহলে এই ধরণের ব্যবসা শুরু করতে পারেন। সাধারণত সিএ কোর্স করা প্রফেশনাল ব্যক্তিরাই এই ব্যবসার জন্য উপযুক্ত। যেহেতু আপনি বড় বড় কোম্পানিকে আর্থিক বিষয়ে সাহায্য করবেন সুতরাং আপনার আয়ের পরিমাণও অনেক বেশি হবে।

৯৭. ব্যাংকিং ব্যবসা

ব্যাংকিং ব্যবসা হচ্ছে অন্যতম লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া। কিন্তু এটি শুধুমাত্র বড় বিনিয়োগকারীদের ব্যবসা। কারণ একটি ব্যাংক দিতে গেলে বর্তমানে ৫০০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন লাগবে যা আগে ছিল ৪০০ কোটি টাকা। আর আপনি চাইলেই একটি ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন না, এখানে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয় জড়িত।

৯৮. বীমা ব্যবসা  

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বীমা ব্যবসা খুব জনপ্রিয় হলেও বাংলাদেশে এখনও বীমা ব্যবসা কাঙ্ক্ষিত অবস্থানে পৌঁছাতে পারে নাই। দেশে ৭৯ তা বীমা কোম্পানি থাকলেও সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় এখনো বীমা সেবা সেভাবে যেতে পারে নাই।

বীমা ব্যবসা শুরু করতে গেলেও আপনাকে বড় ধরণের অর্থ বিনিয়োগ করতে হবে। জীবন বীমার জন্য পরিশোধিত মূলধন লাগবে ৩০ কোটি টাকা আর সাধারণ বীমার জন্য পরিশোধিত মূলধন লাগবে ৫০০ কোটি টাকা।

৯৯. ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবসা

নোবেল বিজয়ী ডঃ ইউনুস হচ্ছে ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবসার পথিকৃৎ। তাঁর প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশে প্রথম ক্ষুদ্র ঋণের কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে অনেক প্রতিষ্ঠান এই ব্যবসায়ের সাথে যুক্ত।

ক্ষুদ্র ঋণের ব্যবসা শুরু করার জন্য খুব বেশি পুঁজির প্রয়োজন নেই। আপনি ইচ্ছা করলে আপনার এলাকায় ছোট পরিসরে এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। তারপর ধীরে ধীরে ব্যবসার পরিধি বাড়াতে পারেন।

১০০. এজেন্ট ব্যাংকিং  

এজেন্ট ব্যাংকিং ব্যবসার আইডিয়া তাদের জন্য যারা এমন যায়গায় বসবাস করেন যেখানে প্রাইভেট ব্যাংকের সেবা খুব অপ্রতুল।

এজেন্ট ব্যাংকিং হচ্ছে মূল ব্যাংকে প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন ধরণের কাজ করা। যেমন অ্যাকাউন্ট খোলা, টাকা জমা এবং উঠানো, রেমিট্যান্স গ্রহণ, ইউটিলিটি বিল প্রদান, ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা ইত্যাদি বিভিন্ন ধরণের কাজ করে থাকে। আপনি যদি একজন উদ্যোক্তা হয়ে থাকেন তাহলে আপনিও এজেন্ট ব্যাংকিং এর একটি শাখা নিজ এলাকায় স্থাপন করতে পারেন। ব্যাংকের বিভিন্ন পণ্য বিক্রয়ের উপর আপনি কমিশন পাবেন।

১০১. মানি এক্সচেঞ্জ এজেন্সি

বৈদেশিক মুদ্রার সাথে দেশের স্থানীয় মুদ্রার বিনিময় করা হচ্ছে মানি এক্সচেঞ্জের মূল কাজ। এই ব্যবসা যথেষ্ট লাভজনক। বাংলাদেশে ২৩০ টি মানি এক্সচেঞ্জ আছে এরা বছরে গড়ে ৫ লাখ টাকার উপর মুনাফা করে থাকে। এই ধরণের ব্যবসা করতে হলে আপনাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি নিতে হবে। দেশের আইন অনুযায়ী মুদ্রা বিনিময় করতে হবে।

১০২. গার্মেন্টস ব্যবসা

এটি একটি বড় ব্যবসার আইডিয়া। আমরা সবাই জানি গার্মেন্টস হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণ। বাংলাদেশে অসংখ্য গার্মেন্টস রয়েছে। প্রায় সবাই কম বেশি রপ্তানির অর্ডার পায়। আপনার যদি টেইলরিং বা ম্যানুফ্যাকচারিং বা মার্চেন্ডাইজিং অভিজ্ঞতা থাকে তাহলে আপনিও একটি গার্মেন্টস কারখানা দিতে পারেন। আপনার বিনিয়োগ সামর্থ্য অনুযায়ী আপনি গার্মেন্টস কারখানা দিবেন। আপনি ইচ্ছে করলে রপ্তানিমুখী কারখানা দিতে পারেন আবার দেশের বাজারকে টার্গেট করেও কারখানা প্রতিষ্ঠা করতে পারেন।

১০৩. গার্মেন্টস স্টক লটের ব্যবসা 

বিভিন্ন কারণে গার্মেন্টস কারখানায় কাপড়ের স্টক হতে পারে। যেমন শিপমেন্ট বাদ হয়ে যাওয়া, এলসি সমস্যা ইত্যাদি। এই ধরণের ব্যবসা অনেক লাভজনক। বিভিন্ন বায়িং হাউস, রিটেইল মার্কেট, স্টকলট হাউস থেকে আপনি গার্মেন্টস স্টক লট কিনতে পারবেন। তারপর আপনার নিজের শো-রুম বা অন্য কোন শো-রুমে সাপ্লাই দিতে পারেন।

১০৪. গহনার ব্যবসা

আমাদের দেশে বিয়েসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নারীদের গহনা না পড়লে চলেই না। এদেশে গহনার রয়েছে বিরাট বাজার। এই ধরণের ব্যবসা করতে হলে আপনার সোনা, রুপা, হীরার দাম এবং কোথায় কম দামে ভাল সোনা, রুপা, হীরা পায়ায় যায় সেসব জানতে হবে। খাটি সোনা চিনতে হবে। মোট কথা জুয়েলারি সম্পর্কে খুব ভাল ধারণা থাকলে আপনি গহনার ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।

১০৫. ফার্নিচার ব্যবসা

মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন হচ্ছে তাই সবাই এখন সুন্দর ডিজাইনের ভাল আসবাব কিনতে চায়। বাংলাদেশে ফার্নিচার বাজারের আকার ক্রমাগত বড় হচ্ছে। আপনিও চাইলে কয়েক লাখ টাকা বিনিয়োগ করে ফার্নিচার ব্যবসা শুরু করতে পারেন। ফার্নিচার ব্যবসা এমন এলাকায় দেওয়া উচিৎ যেখানে অনেকগুলো ফার্নিচার দোকান আছে। কারণ গ্রাহকরা সাধারণত অনেকগুলো ফার্নিচার দেখে দামের তুলনা করে ফার্নিচার কিনে থাকে। তাই যেসব এলাকায় ফার্নিচারের দোকান বেশি সেসব এলাকায় গ্রাহকও বেশি থাকে।

১০৬. জুতার ব্যবসা  

জুতার ব্যবসা একটি লাভজনক ব্যবসা। বিভিন্নভাবে জুতার ব্যবসা করা যায়। আপনি ইচ্ছে করলে জুতার কারখানা দিতে পারেন। আবার জুতার দোকান দিয়ে খুচরা ব্যবসা করতে পারেন। আবার কারখানা থেকে সরাসরি জুতা কিনে বিভিন্ন দোকানে পাইকারি সাপ্লাই দিতে পারেন।

১০৭. রেস্টুরেন্ট ব্যবসা

রেস্টুরেন্ট ব্যবসা একটি লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া। রেস্টুরেন্ট ব্যবসা দিতে চাইলে খুব ভাল করে গবেষণা করে তারপর দিবেন। কারণ রেস্টুরেন্ট ব্যবসার জন্য যায়গা নির্বাচন একটা বড় ফ্যাক্টর। স্কুল, কলেজ, বাজার, স্টেশন, বা কমার্শিয়াল প্লেস ছাড়া রেস্টুরেন্ট ব্যবসা খুব বেশি জমে না। আবার কয়েকটি রাস্তার সংযোগ স্থলেও রেস্টুরেন্ট খুব ভাল চলে। তবে যে যায়গাতেই রেস্টুরেন্ট ব্যবসা দেন না কেন আপনার আশেপাশের প্রতিযোগীদের গ্রাহক, সক্ষমতা এবং সার্ভিস কোয়ালিটির ব্যাপারে ভাল করে খোঁজখবর নিবেন। যাতে তাদের চেয়ে আপনি ভাল সার্ভিস দিয়ে গ্রাহক ধরে রাখতে পারেন। একটি রেস্টুরেন্ট দিতে কেমন খরচ হবে তা সেই স্থানের ভাড়া এবং অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জার উপর নির্ভর করবে।

লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া ১১০টি প্রবন্ধটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি।

১০৮. আবাসিক হোটেল ব্যবসা

আবাসিক হোটেল ব্যবসা করতে চাইলে কিছু বিষয় আপনাকে মাথায় রাখতে হবে। আপনি যে এলাকায় আবাসিক হোটেল ব্যবসা দিতে চান সেই এলাকার আর্থিক অবস্থা, সেই এলাকায় যারা বেড়াতে আসে তারা কোন শ্রেণির মানুষ ইত্যাদি। আপনি যে শ্রেণির গ্রাহক টার্গেট করবেন সেই শ্রেণির কথা মাথায় রেখেই আপনাকে হোটেল দিতে হবে। আপনার খরচও তাঁর উপর নির্ভর করবে।

১০৯. ইলেক্ট্রনিকস শো-রুম

ইলেক্ট্রনিকস শোরুম দিতে চাইলে আপনাকে একটা মোটামুটি বড় স্পেস ভাড়া নিতে হবে। শো-রমের ভেতরটা খুব আকর্ষণীয়ভাবে সাজাতে হবে। লোকেশন একটা বড় ফ্যাক্টর। এমন যায়গায় ইলেক্ট্রনিকস শো-রুম দিবেন যেখানে সচ্ছল ক্রেতার সংখ্যা বেশি।

ইলেক্ট্রনিকস শো-রুমের ব্যবসা শুরু করার জন্য একটি ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে। তারপর যে কোম্পানির পণ্য রাখতে চান সেই কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউটরদের সাথে যোগাযোগ করে আপনি ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করবেন।

১১০. পার্লার

পার্লার একটি সৃজনশীল ব্যবসার আইডিয়া। আপনি যদি একজন ম্যাকআপ আর্টিস্ট হয়ে থাকেন তাহলে আপনি পার্লার ব্যবসা দিতে পারেন। যেহেতু মেয়েরা আপনার মূল গ্রাহক তাই মেয়েদের সাজানোর সকল উপাদান আপনার কিনে রাখতে হবে। পার্লারের ভেতরে এসিসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা রাখবেন।

লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া ১১১টি প্রবন্ধটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি।

১১১. খেলাধুলার সামগ্রীর ব্যবসা

খেলাখুলা আমাদের মন ও স্বাস্থ্য ভাল রাখে। তাই তো ছোট বড় সবাইকে খেলাধুলা করতে হয়। এছাড়া দেশে প্রফেশনাল খেলোয়াড়ের সংখ্যাও অনেক। তাই বলা যায় খেলাধুলার সামগ্রীর গ্রাহকও অনেক।

খেলাধুলার সামগ্রীর ব্যবসা স্টেডিয়ামের পাশে দেওয়া সবচেয়ে লাভজনক কারণ এখানেই আপনি সবচেয়ে বেশি গ্রাহক পাবেন। যেহেতু ক্রিকেট আমাদের দেশে খুবই জনপ্রিয় খেলা তাই ক্রিকেট সরঞ্জাম বেশি রাখতে হবে। এছাড়া কাপ, জার্সি, অন্যান্য খেলার সরঞ্জামও রাখতে হবে।

 এ পোস্টের ট্যাগ সমূহঃ  #business,  #business man,  #classification of business,  #উত্তম ব্যবসা কোনটি,  #কী ব্যবসা লাভজনক,  #বিভিন্ন ব্যবসায়ের নাম,  #ব্যবসা,  #ব্যবসায়িক ধারনা,  #ব্যবসায়ী,  #ব্যবসায়ের শ্রেণী বিভাগ,  #লাভজনক ব্যবসা,  #লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া